International

ব্রাজিলে শুরু করোনা বনাম অক্সফোর্ড টিকার লড়াই

ব্রাসিলিয়া: করোনাভাইরাসের হামলায় মৃত্যু সংখ্যা বিচারে বিশ্বে দ্বিতীয় ব্রাজিল। ৫৮ হাজারের বেশি মৃত। এই পরিস্থিতিতে শুরু হল বহু চর্চিত অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের তৈরি টিকা দেওয়ার পর্ব। বিবিসি, আল জাজিরা এবং টেলিসুর সহ আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমের খবর, এই করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিনটি ব্রাজিলের ৫ হাজার স্বেচ্ছাসেবীদের দেহে প্রয়োগ করা হচ্ছে।
ইংল্যান্ডের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এই টিকা শুরু থেকেই আলোচিত। বিশ্ব মুখিয়ে এর কার্যকারিতা দেখতে। দক্ষিণ আফ্রিকা, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রাজিলে এই টিকার প্রয়োগ হবে বলে আগেই জানানো হয়। ব্রাজিলের দুটি বৃহত্তম নগরী সাও পাওলো, রিও ডি জেনেইরো তে পরীক্ষামূলক টিকা প্রয়োগ শুরু হয়েছে। ইউনিভার্সিটি অব অক্সফোর্ড নিউজ অ্যান্ড ইভেন্ট এবং অক্সফোর্ড মেল এমনই জানাচ্ছে।
বিবিসির খবর, টিকা তৈরির জন্য ইংল্যান্ড সরকার ও কয়েকটি দাতব্য সংস্থার অর্থ সাহায্যে ২০০৫ সালে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে গড়ে তোলা হয় জেনার ইনস্টিটিউট। এই প্রতিষ্ঠানের প্রধান বিজ্ঞানী ড. সারাহ গিলবার্টের নেতৃত্বেই তিন মাসের কম সময়ে করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিনটি তৈরি করা হয়।
গত ২৩ এপ্রিল অক্সফোর্ডের দু’জন স্বেচ্ছাসেবী বিজ্ঞানীর দেহে প্রথম করোনার ভ্যাকসিন প্রয়োগ করা হয়। এছাড়াও ইংল্যান্ডের ৪ হাজারের বেশি মানুষকে ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের জন্য নথিভুক্ত করা হয়েছে।

ব্রাজিলিয়ান হেলথ রেগুলেটরি এজেন্সি (এএনভিএসএ) গত ২ জুন দেশটিতে অক্সফোর্ড ভ্য্যাকসিনের ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের অনুমোদন দেয়। ভ্যাকসিন তৈরিতে ব্যবহার করা হচ্ছে এমন ভাইরাস যা মূলত শিম্পাঞ্জিকে সংক্রমিত করে। এটি সাধারণ সর্দিকাশির দুর্বল ভাইরাস (অ্যাডেনোভাইরাস) হিসেবে পরিচিত। গবেষকরা এর জিনগত পরিবর্তন করেছেন, যাতে মানুষের ক্ষতি না করে। তাতে সফল হওয়ার পর এবার মানব দেহে পরীক্ষামূলক প্রয়োগ শুরু হলো।

কলকাতার ‘গলি বয়’-এর বিশ্ব জয়ের গল্প

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close