International

ভারতীয় পড়ুয়াদের ভ্রমণে অগ্রাধিকার, ভিসা নিয়ে কাজ শুরু আমেরিকার

নিউ ইয়র্ক: ভারতীয় পড়ুয়াদের বৈধভাবে স্বাগত জানাতে তৎপর আমেরিকা। জুলাই ও আগস্টে যথাসম্ভব ভারতীয় শিক্ষার্থী আমেরিকায় যাওয়ার জন্য যাতে ভিসা পায় তাই আবেদন নিয়ে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে আমেরিকা। তাদের ভ্রমণকে সহজতর করার বিষয়টি এখন আমেরিকার কাছে অগ্রাধিকার পাচ্ছে। রবিবার এক প্রবীণ আমেরিকান কূটনীতিক একথা জানিয়েছেন।

মার্কিন দূতাবাসের মিনিস্টার কনস্যুলার ফর কনস্যুলার অ্যাফেয়ার্সের (Minister Counselor for Consular Affairs) ডন হেফলিন (Don Heflin) বলেছেন যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে শিক্ষার্থীদের দেশে প্রবেশের ক্ষেত্রে করোনা টিকার প্রমাণপত্র প্রয়োজন হবে না। তাদের ক্ষেত্রে শুধু করোনা নেগেটিভ রিপোর্ট দিলেই চলবে। তবে তা অবশ্যই যাত্রা শুরু করার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে হতে হবে। করোনার কারণে আমেরিকার ভিসা পাওয়ার ক্ষেত্রে কিছুটা সমস্যা হতে পারে। তাই হায়ার স্টাডিজের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার ক্ষেত্রে ভারতীয় শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। তবে দূতাবাসের তরফে জানানো হয়েছে সোমবার থেকে ভারতীয় শিক্ষার্থীদের ভিসা ইন্টারভিউ প্রক্রিয়া শুরু হবে।

হেফলিন বলেছেন, “ছাত্রছাত্রী এবং তাদের পরিবারগুলি যে উদ্বেগের মধ্যে রয়েছে তা আমরা বুঝতে পারছি। তাই আমরা জুলাই ও আগস্টের মধ্যে যথাসম্ভব পড়ুয়াকে যাতে ভিসা দেওয়া যায় তার জন্য সক্রিয়ভাবে কাজ করছি। ভারতীয় পড়ুয়াদের বৈধ ভ্রমণ সহজতর করা এখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে অগ্রাধিকার পাচ্ছে।” মে মাসে আমেরিকা যাওয়ার ক্ষেত্রে যে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছিল তার সম্পর্কেও তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। উত্তরে তিনি বলেন, “১ আগস্ট বা তারপর থেকে পড়াশোনা শুরু হবে। ছাত্রছাত্রীরা তার ৩০ দিন আগে আমেরিকায় যেতে পারবে।” এ প্রসঙ্গে ছাত্রছাত্রীদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলির সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। ভারতে বর্তমান মহামারী পরিস্থিতিতে যতটা সম্ভব নিরাপদে সমস্ত কাজ করার চেষ্টা চলছে।

প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই আমেরিকার বিশ্ববিদ্যালয়গুলি বলেছিল যে সব ভারতীয় পড়ুয়া কোভ্য়াক্সিন বা স্পুটনিক ভি নিয়েছে তাদের ফের WHO অনুমোদিত ভ্যাকসিন নেওয়ার নির্দেশ দেয়। আমেরিকার বিশ্ববিদ্যালয়গুলি এক্ষেত্রে বলেছে, এই সব ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা এবং সুরক্ষা সম্পর্কে তাদের কাছে স্পষ্ট কোনও তথ্য নেই। সেই কারণেই যে সব পড়ুয়া এই ভ্যাকসিনগুলি নিয়েছে তাদের পুনরায় টিকা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। শরৎ কালের সেমিস্টার শুরুর আগে যাতে তারা টিকা নেয় এমন নির্দেশই দেওয়া হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়গুলির পক্ষ থেকে। যদিও এ সম্পর্কে হেফলিন কিছু বলেননি।

লাল-নীল-গেরুয়া…! ‘রঙ’ ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা ‘খাচ্ছে’? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম ‘সংবাদ’!

‘ব্রেকিং’ আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের।

কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে ‘রঙ’ লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে ‘ফেক’ তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই ‘ফ্রি’ নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.
হ্যাঁ, আমি অনুদান করতে ইচ্ছুক >

Back to top button