International

ভারতে কয়েক সপ্তাহের লকডাউনে ভাঙবে সংক্রমণের চেন, দাবি মার্কিন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের

ওয়াশিংটন : করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে কাবু গোটাদেশ। দিন যত যাচ্ছে ততই উত্তোরত্তর বাড়ছে সংক্রমণের দাপট। স্বস্তি নেই। চারিদিকে অক্সিজেন, বেডের আকাল। অব্যাহত মৃত্যু মিছিল। দেশের দৈনিক সংক্রমণের রেশ ইতিমধ্যে চার লাখের ঘরে পৌঁছেছে। এই অবস্থায় দিনরাত এককরে অসুস্থ রোগীদের চিকিৎসা করে যাচ্ছেন দেশের প্রথম সারির করোনা যোদ্ধারা চব্বিশ ঘন্টা নাওয়া খাওয়া ভুলে প্রাণ বাঁচাতে মরিয়া তাঁরা।

সংক্রমণের গতি রুখতে কেন্দ্র ভ্যাকসিনেশনে জোর দিচ্ছে। মে দিবস থেকেই ১৮ ঊর্ধ্ব সকলকে ভ্যাকসিন দেওয়ার কথা জানিয়েছে কেন্দ্র। কিন্তু শুধুই কি ভ্যাকসিনের মাধ্যমে করোনাকে প্রতিরোধ করা সম্ভব? তবে এক্ষেত্রে মার্কিন স্বাস্থ্যকর্তা হোয়াইট হাউসের স্বাস্থ্য উপদেষ্টা অ্যান্টনি ফৌসি অবশ্য পরামর্শ দিচ্ছেন লকডাউনের।

সর্বভারতীয় একটি সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে অ্যান্টনি ফৌসি আপাতত তাৎক্ষণিক লকডাউনের পরামর্শ দিয়েছেন ভারতকে। এদিন তিনি বলেন, “দীর্ঘ মেয়াদি লকডাউন নয়। বরং স্বল্প কয়েক দিনের টানা লকডাউন অনেকটাই কমিয়ে আনতে পারে সংক্রমণের রেশ।”

শুধু তাই নয়, এই সময়ে অক্সিজেনের অপ্রতুলতার সমস্যা এবং বেড ও ওষুধের সমস্যা মেটাতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ কেন্দ্রীয় সরকারকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানিয়েছেন তিনি। যদিও ইতিমধ্যে দেশের বেশকিছু রাজ্যে জারি হয়েছে আংশিক লকডাউন৷ সংক্রমণের শৃঙ্খল ভাঙতে চলছে নাইট কার্ফু । তারপরেও সেভাবে মিলছে না স্বস্তি। উপরন্তু বেড়েই চলেছে দেশের বর্তমান করোনা পরিস্থিতি।

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৪ লক্ষ ১ হাজার ৯৯৩ জন। এখনও পর্যন্ত দেশে মোট আক্রান্ত হয়েছে ১ কোটি ৯১ লক্ষ ৬৪ হাজার ৯৬৯ জন। করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা ছাড়িয়ে গিয়েছে সাড়ে তিন হাজার। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার বলি হয়েছেন ৩ হাজার ৫২৩ জন। সব মিলিয়ে দেশে এখনও পর্যন্ত ২ লক্ষ ১১ হাজার ৮৫৩ জনের মৃত্য হয়েছে। অ্য়াক্টিভ মামলার সংখ্যা ৩২ লক্ষ ৬৮ হাজার ৭১০। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২ লক্ষ ৯৯ হাজার ৯৮৮ জন। এখনও পর্যন্ত সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন মোট ১ কোটি ৫৬ লক্ষ ৮৪ হাজার ৪০৬ জন। এখনো পর্যন্ত ১৫ কোটি ৪৯ লক্ষ ৮৯ হাজার ৬৩৫ জনকে টিকাকরণ করা হয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া…! ‘রঙ’ ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা ‘খাচ্ছে’? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম ‘সংবাদ’!

‘ব্রেকিং’ আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের।

কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে ‘রঙ’ লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে ‘ফেক’ তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই ‘ফ্রি’ নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.
হ্যাঁ, আমি অনুদান করতে ইচ্ছুক >

Back to top button