Technology

ভারতে ছাত্রদের জন্য লঞ্চ করা হচ্ছে HP Chromebook11a ল্যাপটপ

ছাত্রদের জন্য HP নিয়েছে এক খুশির সংবাদ। এই করোনা পরিস্থিতির সময়ে বাড়ি বসে অনলাইনে পড়াশোনা করার জন্য তারা চালু করেছে HP Chromebook 11a ল্যাপটপ। ভারতের বিভিন্ন জায়গার এই ল্যাপটপ চালু করতে চলেছে কর্তৃপক্ষ।

মূলত ছাত্রদের কথা মাথায় রেখে এই ল্যাপটপ বাজারে আনা হচ্ছে কর্তৃপক্ষ তরফে। মহামারী চলাকালীন অনলাইন পড়াশোনা কারণ হিসেবে Chromebook লঞ্চ করার পদক্ষেপের কথা জানিয়েছে তারা। এর পাশাপাশি তারা উল্লেখ করে দিয়েছে এই ল্যাপটপ ব্যবহারের জন্য উপকারী হবে ২ থেকে ৭ ক্লাসে পড়া বাচ্চাদের ক্ষেত্রে।

প্রায় ১ কেজি ওজনের এই HP Chromebook 11a তে থাকছে MediaTek MT8183 octa-core প্রসেসর। এর পাশাপাশি ছাত্রদের সুবিধার কথা ভেবে রাখা হচ্ছে ভয়েজ আনেবেল গুগল অ্যাসিসটেন্স, যাতে পুরো ১ বছরের জন্য বিনামূল্যে সাবক্রিপশন পরিষেবা থাকবে। এছাড়াও থাকবে গুগল ওয়ান ১০০ গিগাবাইট ক্লাউড স্টোরেজ, এক বছরের জন্য গুগল বিশেষজ্ঞদের অ্যাক্সেস এবং অন্যান্য এক্সক্লুসিভ সদস্য বেনিফিট সরবরাহ করবে।

ভারতের বাজারে নতুন HP Chromebook 11a ল্যাপটপটি মিলবে ২১,৯৯৯ টাকায়। এটি ই-কমার্স সাইট ফ্লিপকার্টে একটি সিঙ্গেল ইন্ডিগো ব্লু কালারে মিলবে গ্রাহকদের। এর পাশাপাশি গুগল ওয়ান সদস্যতার এক বছরের যুক্ত হবার কারণে ১০০ গিগাবাইট ক্লাউড স্টোরেজের মতো সুবিধা দেওয়া হচ্ছে।

HP Chromebook 11a বাকি বৈশিষ্ট্যের মধ্যে রয়েছে Chrome OS এবং Google Play store অ্যাক্সেসের মতো সুবিধা। এছাড়াও 11.6-inch HD (1,366×768 pixels) IPS touch ডিসপ্লে সঙ্গে থাকছে ২২০ নিট ব্রাইটনেস, ৪৫ শতাংশ কালার গ্যামুট, এবং ৭৩.৮ শতাংশ স্ক্রিন টু বডি রেশিও ব্যবস্থাও।

HP এই ল্যাপটপটি চালনা করার জন্য রয়েছে MediaTek MT8183 octa-core processor। এর সঙ্গে 4GB RAM, 64GB of storage এবং 100 GB of cloud storage গুগল ওয়ানের সুবিধা রয়েছে। পাশাপাশি থাকছে 256GB অতিরিক্ত স্টোরেজ পরিষেবার সমর্থণও।

অন্য বৈশিষ্ট্যের মধ্যে রয়েছে একটি 37 WHr Li-Ion polymer ব্যাটারি যা টানা ১৬ ঘন্টা পরিষেবা দিতে সক্ষম। সংযোগের জন্য মিলবে USB Type-A port, USB Type-C port, একটি অডিও জ্যাক এবং একটি মাইক্রো স্লটের ব্যবস্থা।

লাল-নীল-গেরুয়া…! ‘রঙ’ ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা ‘খাচ্ছে’? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম ‘সংবাদ’!

‘ব্রেকিং’ আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের।

কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে ‘রঙ’ লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে ‘ফেক’ তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই ‘ফ্রি’ নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.
হ্যাঁ, আমি অনুদান করতে ইচ্ছুক >

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।

Back to top button