International

ভিড়ের মধ্যে মাস্ক পরেননি, ব্রাজিলের প্রেসিডেন্টকে জরিমানা

ব্রাসিলিয়া: করোনা নীতি ভাঙলেন খোজ ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট (Brazilian President)। মাস্ক (mask) ছাড়াই বেরিয়ে গেলেন রাস্তায়। আর সেই কারণেই তাঁকে জরিমানা করা হল। সাও পাওলো (Sao Paulo) সরকারের তরফে ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট জাইরে বলসোনারোকে (Jair Bolsonaro) ১০০ ডলার জরিমানা করা হয়েছে।

সাও পাওলোর “Accelerate for Christ” ব়্যালিতে এংশ নিয়েছিল হাজার হাজার মোটর সাইকেল। এর আয়োজক ছিলেন ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট। তিনি নিজেও সেই ব়্যালিতে উপস্থিত ছিলেন। তবে তাঁর হেলমেট ছিল মুখ খোলা। তাঁর মুখে মাস্কও ছিলেন না। এই অবস্থাতেই ছাড়াই ভিড়ের মধ্য়ে প্রবেশ করেছিলেন তিনি। রাষ্ট্রের করোনা বিধিনিষেধ ভাঙেন তিনি। তাই তাঁর উপর জরিমানা ধার্য হয়। পরের বছরই ব্রাজিলের নির্বাচন। তার আগে পাল্লা ভারী করতে পথে নেমে পড়েছেন বলসোনারো। তাই এই ব়্যালির উদ্যোগ। কিন্তু সাও পাওলোর গভর্নর জাওয়াও ডোরিয়া (Sao Paulo Governor Joao Doria) আবার বনসোনারোর রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ। তাই এমন সুযোগ হাতছাড়া করেননি তিনি। জরিমানা করেন ব্রাজিলের প্রেসিডেন্টকে। করোনার সময় থেকেই বলসোনারোর সঙ্গে ডোরিয়া ও অন্যান্য রাজ্যপালের মধ্যে দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে আসে। করোনার সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পর ব্রাজিলেই সবচেয়ে বেশি মৃত্যু ঘটে। প্রায় ৪ লক্ষ ৮৫ হাজার। তা নিয়েই বিবাদের সূচনা। করোনা পরিস্থিতিতে ঘরবন্দি থাকা ব্যবস্থা এবং ফেস মাস্কের ব্যবহার নিয়ে বারবার সমালোচনা করেন প্রেসিডেন্ট।

এর আগেও করোনা বিধি না মানায় জরিমানা করা হয়েছিল ব্রাজিল প্রেসিডেন্টের। নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে জমায়েত করেছিলেন তিনি। সেবার তাঁকে জরিমানা করে মারানহাও (Maranhao) প্রশাসন। তখন মারানহাও (Maranhao) প্রদেশের প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছিল, একটি অনুষ্ঠানে ওই প্রদেশে গিয়েছিলেন জাইরে বলসোনারো (Jair Bolsonaro)। সেখানে বহু মানুষের জমায়েত হয়। কিন্তু কারোর মুখে কোনো মাস্ক ছিল না। এমনকী, শারীরিক দূরত্বও বজায় রাখা হয়নি সেখানে। প্রেসিডেন্ট বলসোনারো নিজেও মাস্ক পরেননি। দূরত্ববিধি মানা হয়নি সেখানে। মারানহাও (Maranhao) প্রদেশের প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, আইনের চোখে সকলেই সমান। তাই সরকারি নিয়ম না মানায় প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

লাল-নীল-গেরুয়া…! ‘রঙ’ ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা ‘খাচ্ছে’? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম ‘সংবাদ’!

‘ব্রেকিং’ আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের।

কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে ‘রঙ’ লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে ‘ফেক’ তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই ‘ফ্রি’ নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.
হ্যাঁ, আমি অনুদান করতে ইচ্ছুক >

Back to top button