প্রযুক্তির খবর

ভিন্ন গ্রহের প্রাণের তত্ত্ব তালাশ শুরু করল চীন

বিজ্ঞান ও তথ্য প্রযুক্তি ডেস্ক:
ভিন্ন গ্রহে প্রাণের খোঁজে কাজ করবে চীনের দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে গড়ে ওঠা বিশ্বের সবচেয়ে বড় রেডিও টেলিস্কোপ। জানা গেছে, ৫ হাজার মিটারের এই অ্যাপারচার স্ফেরিকাল রেডিও টেলিস্কোপটি শুক্রবার (১২ জুলাই) দুপুর থেকে কাজ শুরু করবে চীনের পার্বত্য অঞ্চল গুই-জয়াং অঞ্চলে।
১৮০ মিলিয়ন ইউরো খরচ করে তৈরি করা এই টেলিস্কোপটিতে রয়েছে প্রায় ৩০টি ফুটবল মাঠের সমান প্রতিফলক।
চীনা গবেষকদের মতে, ২০২০ সালের মধ্যে তাদের পক্ষ থেকে মহাকাশে যে স্থায়ী স্পেস স্টেশনে গড়ার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে সেই কাজে সাহায্য করবে এই টেলিস্কোপটি।
সূত্রের খবর, চাঁদেও নিজেদের ম্যানুয়াল স্পেস স্টেশন গড়ার লক্ষ্য নিয়েছে চীন। চীনের মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান ওউ জিং-পিং জানিয়েছেন, উচ্চ সংবেদনশীলতার জন্য মহাকাশের অন্য জীবনের খোঁজ-খবর নিতেও সক্ষম হবে এই রেডিও টেলিস্কোপ।
প্রসঙ্গত, ২০১১ সাল থেকে শুরু হয় এই উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন টেলিস্কোপের নির্মাণ। ফাঁকা করে দেওয়া হয় চার পাশের ৫ কি.মি. পর্যন্ত অঞ্চল। এর আগে সাধারণত কোনও বাঁধ বা জলাধার নির্মাণের জন্যই চীনে এই ভাবে মানুষদের সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। তবে টেলিস্কোপ নির্মাণের জন্য এই প্রথম।
সোনা দিয়ে তৈরী গ্রহাণুর সন্ধান পেল নাসা
নাসা এমন একটি গ্রহাণুর খোঁজ পেয়েছে যার কথা শুনলে চক্ষু চড়কগাছ হয়ে যাবে! সোনা ও বেশকিছু অতি মূল্যবান ধাতু দিয়ে গঠিত গ্রহাণুটি। নাম ‘১৬ সাইকি’। সেখানে কীভাবে যাওয়া যায় তার পরিকল্পনাও ইতিমধ্যে শুরু করে দিয়েছে নাসা।

তবে সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয়, গ্রহাণুটির মধ্যে যে খনিজ পদার্থ ও ধাতু রয়েছে, তার মূল্য বিশ্বের বাজারে ৭০০ কুইন্ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার! অর্থাৎ ৭ এর পেছনে ২০টা শূন্য বসালে যা হয়। যা ভাগ করে দেয়া হলে পৃথিবীর প্রতিটি মানুষ প্রায় ৯৩ বিলিয়ন ডলার করে পাবেন। অর্থাৎ প্রত্যেকেই কোটিপতি হয়ে যাবে।
তবে এটি ভালো খবর নয়, এর একটি খারাপ দিকও রয়েছে। কারণ গ্রহাণু থেকে উত্তোলিত সোনা ও অতি মূল্যবান ধাতু যদি পৃথিবীর সকল মানুষের মধ্যে ভাগ বাটোয়ারা করে দেয়া হয়, তবে তা আর মূল্যবান থাকবে না।
অর্থনীতির ছাত্রছাত্রীরা অবশ্যই জানবেন, দাম ও আপেক্ষিক ঘাটতির একটি সম্পর্ক রয়েছে। বাজারে সোনার সরবরাহ বেড়ে গেলে তার দাম পড়ে যাবে। তখন সোনা আর আগের মত মূল্যবান থাকবে না।
সুতরাং ১৬ সাইকি গ্রহাণু থেকে সোনা ও অতি মূল্যবান ধাতু যদি উত্তোলন করে পৃথিবীতে নিয়ে আসাও হয়, মানুষের খুব বেশি লাভ হবে বলে মনে হয় না।

Leave a Reply

Back to top button
Close