Technology

মঙ্গলে নামল হেলিকপ্টার, ছবি পোস্ট করে জানাল নাসা

ওয়াশিংটন: ইতিহাস সৃষ্টি করল নাসা। মঙ্গলের মাটিতে নামল মিনি হেলিকপ্টার ইনজেনুইটি। এবার ওড়ার জন্য তৈরি সে। নাসার তরফে এই খবর জানানো হয়েছে। মঙ্গলে নাসার পাঠানো রোভার পারসেভেব়্যান্সের পেটের ভিতর ছিল এই ইনজেনুইটি হেলিকপ্টার। ১৮ ফেব্রুয়ারি পারসেভেব়্যান্সের সঙ্গে এটিও মঙ্গলের মাটিতে নেমেছিল।

নাসার জেট প্রপিউলেশন ল্যাবরেটরির তরফে শনিবার টুইট করে জানানো হয়েছে, মার্স হেলিকপ্টার মঙ্গলের মাটিতে নেমে গিয়েছে। ২৯৩ মিলিয়ন মাইল যাত্রা করে নাসার পারসেভেব়্যান্স রোভার রবিবার তার পেট থেকে ৪ ইঞ্চি নিচে ড্রপ করে তার জার্নি শেষ করে। পরবর্তী মাইলস্টোন রাতে সারভাইভ করা।

#MarsHelicopter touchdown confirmed! Its 293 million mile (471 million km) journey aboard @NASAPersevere ended with the final drop of 4 inches (10 cm) from the rover’s belly to the surface of Mars today. Next milestone? Survive the night. https://t.co/TNCdXWcKWE pic.twitter.com/XaBiSNebua

— NASA JPL (@NASAJPL) April 4, 2021

নাসার তরফে একটি টুইট করা হয়েছে। সেখানে পারসেভের়্যান্স থেকে নামা হেলিকপ্টারটি স্পষ্ট দেখা গিয়েছে। ইনজেনুইটি এতদিন পারসেভেব়্যান্সের পেটের ভিতর ছিল। তবে এবার সে নিজস্ব ব্যটারিতে সচল। তাই মঙ্গলে রাত্রিযাপন তার ক্ষেত্রে কেমন হবে সেটাই দেখার। যদিও এর মধ্যস্থ হিটার একে ৪৫ ডিগ্রি ফারেনহাইট তাপমাত্রায় রাখে। কিন্তু মঙ্গলে তাপমাত্রা রাতের দিকে মাইনাস ১৩০ ডিগ্রি ফারেনহাইটে নেমে যায়। তাই ইনজেনুইটিকে নিয়ে চিন্তা রয়েছে বৈকি!

পৃথিবীর মাটির চেয়ে মঙ্গলের মাটিতে নিয়ন্ত্রিত উপায়ে উড়ে যাওয়া পৃথিবীতে উড়ানের চেয়ে অনেক বেশি কঠিন। এর মাধ্যাকর্ষণ থাকলেও তা পৃথিবীর প্রায় এক-তৃতীয়াংশ। এছাড়া এর বায়ুমণ্ডল পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের মাত্র ১ শতাংশ। পৃথিবীতে দিনের বেলা যতটা এনার্জি আসে মঙ্গলে তার প্রায় অর্ধেক পরিমাণ সৌরশক্তি প্রাপ্ত হয়। রাতে এর তাপমাত্রা মাইনাস ১৩০ ডিগ্রি ফারেনহাইট বা মাইনাস ৯০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। কখনও এর নিচেও নেমে যেতে পারে যা। যার ফলে সুরক্ষিত বৈদ্যুতিক উপাদান ক্র্যাক করতে পারে।

লাল-নীল-গেরুয়া…! ‘রঙ’ ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা ‘খাচ্ছে’? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম ‘সংবাদ’!

‘ব্রেকিং’ আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের।

কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে ‘রঙ’ লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে ‘ফেক’ তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই ‘ফ্রি’ নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.
হ্যাঁ, আমি অনুদান করতে ইচ্ছুক >

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।

Back to top button