offbeat news

মাঘের শীতে মাছের মেলায় মজেছে কৃষ্ণপুর

স্টাফ রিপোর্টার , হাওড়া : হুগলির ব্যান্ডেলের দেবানন্দপুর এর কৃষ্ণপুর গ্রামে মাঘ মাসে মাছের মেলা বসে পশ্চিমবঙ্গের সব জেলা থেকে সাধারণ মানুষ মেলা দেখতে এখানে আসেন। ওই মেলায় গিয়ে জানা গেল পয়লা মাঘ সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত এই মাছের মেলা থাকে সমস্ত রকম মাছ এখানে পাওয়া যায় বড় মাছ থেকে আরম্ভ করে ছোট মাছ সুন্দরবনের কাঁকড়া মাছ। আপনি চাইলেই পাবেন মেলায় প্রচুর মাছ চোখ দিয়ে তাকালে খালি মাছ।

একটি ভেটকি মাছের ওজন ২৬ কিলো অপরদিকে আরেকটি ভেটকি মাছ আছে তার ওজন ১৯ কেজি সঙ্গে আছে ৫ কিলো ৭ কিলো ওজনের রুই কাতলা। ক্রেতা বিক্রেতার মাছের দাম নিয়ে চলছে দরাদরি মাছের বাজারে ক্রেতাদের ভিড় চোখে পড়ার মতো। বেশ কিছু মানুষ মাছের মেলা থেকে মাছ কিনে মাছ কাটিয়ে ভাজা করে সরস্বতী নদীর তীরে রান্না করে খাওয়া-দাওয়া করছেন।

এটাও দেখা গেল মাছের মেলার পাশে বড় মন্দির এই মন্দিরে এসে প্রধান সেবায়েত অমর চক্রবর্তী জানালেন এবার এই মাছের মেলা ৫১৪ বছরে পরল সেই সময়ে রঘুনাথ দাস মহন্ত ছিলেন জমিদারের ছেলে তিনি ১৫ বছর বয়সে গৃহত্যাগ করে পুরী যাচ্ছিলেন পথে খবর পেলেন পানিহাটিতে গৌরাঙ্গ মহাপ্রভু আসেন সেখানে গিয়ে তার দর্শন পেলেন এবং নিত্যানন্দ প্রভুর কাছে দীক্ষা নিলে এরপর তিনি নীলাচলে চলে যান তারপর ফিরে আসেন গ্রামে তার ফিরে আসার দিনটিকে স্মরণ করে গ্রামের মানুষ তার কাছে মাছ খেতে চায়।

রঘুনাথ দাসজিও তাদের প্রার্থনা পূর্ণ করেন সেই থেকে তার নাম স্মরণ করে এই পয়লা মাঘের দিনটিতে মাছের মেলা বসে একদিনের জন্যই মেলা। মেলাকে ঘিরে অন্যান্য সব জিনিসের দোকানপাট বসেছে। ফিরে আসার সময়ে দূর থেকে বিক্রেতাদের মাছের দাম শোনা যাচ্ছে আর মন্দিরের নাম কীর্তন শোনা যাচ্ছে। করোনা আবহে এবার একটু ভিড় কম জানালেন কিছু মাছ বিক্রেতা।

মাঘের দুপুরে বিভিন্ন আলুরদমের মেলায় ভিড় জমান গ্রামীণ হাওড়ার উদয়নারায়ণপুর ব্লকের সিংটী গ্রামের মানুষ। এটি সুপ্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী ভাই খাঁ পীরের মেলায়। উল্লেখ্য, প্রতিবছর পয়লা মাঘ সিংটী খাঁ পাড়ায় বিস্তীর্ণ জমির এই মেলা অনুষ্ঠিত হয়। ৫০০ বছরেরও অধিক প্রাচীন এই মেলার ইতিহাস ঘাঁটলে জানা যায়, আরব থেকে এসেছিলেন ভাই খাঁ। তিনি তাঁর কাজের মধ্য দিয়ে স্থানীয় মানুষের মন জয় করেছিলেন। ৩০ পৌষ ভাই খাঁ মারা যাওয়ার পর পয়লা মাঘ তাঁর শেষকৃত্যে বহু মানুষ ভিড় জমিয়েছিলেন। আর তা-ই মেলার আকার ধারণ করে। এভাবেই সূচনা ঘটে এই সুপ্রাচীন মেলার। মেলায় কাঁকড়া বিক্রির এই অভিনব রীতির পিছনেও আছে বেশ কিছু কারণ। স্থানীয় মানুষের সাথে কথা বলে জানা যায়, আদতে পীর সাহেবের মেলা হলেও এলাকাটি হিন্দুপ্রবণ। ইসলাম ধর্মাবলম্বী মানুষের পাশাপাশি মেলায় ভিড় জমাতেন অসংখ্য হিন্দু ধর্মাবলম্বী মানুষ। আর তাদের জন্যই মেলায় শুরু হয়েছিল কাঁকড়া বিক্রির এই অভিনব রীতি।

লাল-নীল-গেরুয়া…! ‘রঙ’ ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা ‘খাচ্ছে’? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম ‘সংবাদ’!

‘ব্রেকিং’ আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের।

কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে ‘রঙ’ লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে ‘ফেক’ তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই ‘ফ্রি’ নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.
হ্যাঁ, আমি অনুদান করতে ইচ্ছুক >

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।

Back to top button