International

মাঝ আকাশেই বিমানের ইঞ্জিনে বিস্ফোরণ, দেখুন ভয়ঙ্কর ভিডিও

ওয়াশিংটন : মাঝ আকাশেই বড় বিপদের মুখে পড়ল ইউনাইটেড এয়ারলাইন্সের বিমান। আচমকাই বিমানটির ইঞ্জিনে আগুন লেগে বিস্ফোরণ ঘটে। ডেনভার এয়ারপোর্ট থেকে উড়ান শুরু করার পরেই এই বিপত্তি ঘটে বলে জানা গিয়েছে। সেই ভয়ঙ্কর ভিডিও এক যাত্রী পোস্ট করেন। তারপরেই সেটি ভাইরাল হয়ে যায়। যাত্রী সমেত এই ঘটনা ঘটায় মুহুর্তে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

Engine failure on Boeing 777 United aircraft. Plane took off from Denver and returned safely in 20 minutes. Engine parts fell soon after take off. Pilots flew the aircraft back safely. Look at the engine, it’s hardly in shape. pic.twitter.com/gByQ9Sj85q

— Nagarjun Dwarakanath (@nagarjund) February 21, 2021

বোয়িং ৭৭৭-২০০ বিমানটিতে এই ঘটনা ঘটে। ওই বিমানে ২৩১ জন যাত্রী ছিলেন। ১০ জন বিমান কর্মী ছিলেন। ভিডিও থেকে প্রকাশিত ছবিতে দেখা গিয়েছে, বিমানের জ্বলন্ত অংশ থেকে টুকরো ভেঙে পড়ছে। তবে কোনও ক্ষটক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। ডেনভার বিমানবন্দর থেকে বিমানটি হনুলুলুর দিকে যাচ্ছিল।

এদিকে, শনিবারই অল্পের জন্য বড়সড় দুর্ঘটনা এড়াল এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান। শনিবার অন্ধ্রপ্রদেশের বিজয়ওয়াড়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি দুর্ঘটনার সম্মুখীন হয়। বিমানে মোট ৬৪ জন যাত্রী ছিলেন। প্রত্যেকেই সুরক্ষিত রয়েছেন বলে খবর। বেলা ৪টে ৫০ মিনিট নাগাদ দুর্ঘটনাটি ঘটে। বিজয়ওয়াড়া বিমানবন্দরে রানওয়ের পাশে একটি ইলেকট্রিক পোল বা বৈদ্যুতিন খুঁটির সঙ্গে ধাক্কা খায় বিমানটি।

সঙ্গে সঙ্গে যাত্রীরা এক তীব্র ঝাঁকুনি অনুভব করেন। শব্দও হয় বেশ জোরে। কিন্তু সৌভাগ্যের বিষয়, এই দুর্ঘটনায় কোনও যাত্রীর কোনও ক্ষতি হয়নি। বিমানবন্দরের ডিরেক্টর জি মধুসূদন রাও জানান, “ওই বিমানে ৬৪ জন যাত্রী ছিলেন। এছাড়া বিমানের চালক ও ক্রু মেম্বাররা ছিলেন। সকলেই সুরক্ষিত রয়েছেন। কারোর কোনও ক্ষতি হয়নি।”

জানা গিয়েছে ওই বিমানটি দোহা থেকে আসছিল। বিকেল ৪টে ৫০ মিনিটে সেটি বিজয়ওয়াড়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামে। ৬৪ জন যাত্রী বিমানে থাকলেও বিজয়ওয়াড়ায় ১৯ জনের নামার কথা ছিল। বিমানটিকে ৫ নম্বর রানওয়েতে নামতে বলা হয়। রানওয়ে ছোঁয়ার পরই এটি রানওয়ের পাশে একটি বৈদ্যুতিন খুঁটির সঙ্গে ধাক্কা খায়। সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, বিমান চালক ৫ নম্বর রানওয়ের মাঝখানের হলুদ মার্জিন অনুসরণ করার বদলে লিডিং মার্জিন (হলুদ) অনুসরণ করেন। যার ফলে ঘটে দুর্ঘটনা।

লাল-নীল-গেরুয়া…! ‘রঙ’ ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা ‘খাচ্ছে’? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম ‘সংবাদ’!

‘ব্রেকিং’ আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের।

কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে ‘রঙ’ লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে ‘ফেক’ তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই ‘ফ্রি’ নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.
হ্যাঁ, আমি অনুদান করতে ইচ্ছুক >

সিনেমার বড় পর্দা থেকে টেলি পর্দার জগতে কতটা সম্মান পাচ্ছেন মেয়েরা? জানাবেন মিডিয়া টিচার অনুজা বাগচী।

Back to top button