International

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে জনপ্রিয়তার বিচারে ফেসবুকের থেকে এগিয়ে ইউটিউব

ওয়াশিংটন: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে দুই ভিডিও শেয়ারিং মাধ্যম ফেসবুক এবং ইউটিউবের মধ্যে জনপ্রিয়তার একটি সার্ভে প্রকাশ করে পিউ রিসার্চ সেন্টার। যেখানে দেখা মেলে অ্যামেরিকায় প্রায় ৮১ শতাংশ গ্রাহক ব্যবহার করে ইউটিউব মাধ্যমটি। অন্যদিকে সেই দেশে ফেসবুকের ব্যবহারকারির সংখ্যা শতকরা ৬৯ শতাংশ। আর এই জনপ্রিয়তার বিচারে ফেসবুকের থেকে যে ইউটিউব অনেকটাই এগিয়ে তা এই সার্ভেও থেকে বোঝায় যাচ্ছে।

পিউ রিসার্চ সেন্টার এই দুই বৃহৎ ভিডিও শেয়ারিং মাধ্যমের নমুনা সংগ্রহ করে ২০২১ সালের ২৫ জানুয়ারি থেকে ৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। এই সার্ভেতে বিশেষ ভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে এই সোশ্যাল মাধ্যমগুলি নিয়ে নানা বিতর্ক থাকলেও সাত থেকে দশজন অ্যামেরিকান মানুষ এইগুলির ব্যবহারকারী।

২০২১ সালের সোশ্যাল মিডিয়ার জনপ্রিয়তার রিপোর্ট অনুযায়ী, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ৮১ শতাংশ মানুষ ইউটিউব ব্যবহার করে। যেখানে ২০১৯ সালে এই মাধ্যমের ব্যবহারকারীর সংখ্যা ছিলো ৭৩ শতাংশ। অন্যদিকে ফেসবুকের ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৬৯ শতাংশ। এর পাশাপাশি ফেসবুকের মালিকানাধীন ইনস্টাগ্রামের ব্যবহারীর সংখ্যা ৪০ শতাংশ। এছাড়াও এই তালিকায় দেখা মিলেছে পিনটারেস্টের ব্যবহারকারী ৩১ শতাংশ এবং ২৮ শতাংশ মানুষ রয়েছে যারা বিভিন্ন কর্মসংস্থান ভিত্তিক অনলাইন পরিষেবা যেমন লিঙ্কডিন ব্যবহার করে থাকে।

এই রিপোর্টে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যেখানে কিছুজন জানিয়েছে তারা স্ন্যাপচ্যাট ব্যবহার করে আবার অনেকে রয়েছে টুইটার এবং হোয়াটসঅ্যাপ এর মধ্যে। ২১ শতাংশ অ্যামেরিকান জানিয়েছে তারা ভিডিও দেখার জন্য টিকটক ব্যবহার করে যেখানে ১৩ শতাংশ জানিয়েছে তাদের প্রতিবেশি প্লাটফর্ম নেক্সটডোরের কথা।

২০১৯ সাল থেকে ২০২১ এর মধ্যে ইউটিউব ছাড়া ব্যবহারকারীর সংখ্যা বেড়েছে রেডডিটে। ২০১৯ সালে এই মাধ্যমের ব্যবহারকারীর সংখ্যা যেখানে ছিলো ১১ শতাংশ, সেখানে এই বছরে এসে দাঁড়িয়েছে ১৮ শতাংশে। পাশাপাশি ইনস্টাগ্রাম, পিনটারেস্ট, লিঙ্কডিন, স্ন্যাপচ্যাট, টুইটার এবং হোয়াটসঅ্যাপের ব্যবহারকারীর সংখ্যার কোনও পরিবর্তন হয়নি এই বছরে। অন্যদিকে বলা চলে ইনস্টাগ্রাম, স্ন্যাপচ্যাট এবং টিকটক মাধ্যমগুলি তরুনদের অনেক আকর্ষণ করেছে।

এই নমুনা সমীক্ষায় ১৮ থেকে ২৯ বছরের মধ্যে ইউটিউবের জনপ্রিয়তা রয়েছে ৯৫ শতাংশ। যেখানে ৩০ থেকে ৪৯ বছর বয়সের মধ্যে এর জনপ্রিয়তা রয়েছে ৯১ শতাংশ এবং ৫০ থেকে ৬৪ বছর বয়সের মধ্যে ৮৩ শতাংশ। অন্যদিকে ফেসবুকের ক্ষেত্রে ১৮ থেকে ২৯ বছর বয়সীদের মধ্যে এর জনপ্রিয়তা ৭০ শতাংশ এবং ৩০ থেকে ৪৯ বছরের মধ্যে ৭৭ শতাংশ।

লাল-নীল-গেরুয়া…! ‘রঙ’ ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা ‘খাচ্ছে’? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম ‘সংবাদ’!

‘ব্রেকিং’ আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের।

কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে ‘রঙ’ লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে ‘ফেক’ তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই ‘ফ্রি’ নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.
হ্যাঁ, আমি অনুদান করতে ইচ্ছুক >

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।

Back to top button