International

মেহুল চোকসি “ভারতীয় নাগরিক”, স্বীকার করলেন ডমিনিকার প্রধানমন্ত্রী

রসেউ: মেহুল চোকসি যে ভারতীয় নাগরিক (Indian citizen), এবার সেকথা স্বীকার করে নিল ডমিনিকা (Dominica)। দেশের প্রধানমন্ত্রী রুজভেল্ট স্কেরিট (Prime Minister Roosevelt Skerrit)। পলাতক ওই হীরক ব্যবসায়ীর ক্ষেত্রে কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে তার সিদ্ধান্ত নেবে আদালত। তিনি আরও বলেছেন, বিচারের অপেক্ষায় থাকায় সরকার মেহুল চোকসির অধিকার যাতে রক্ষা হয় সেদিকে নজর রাখবে।

প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, “এই ভারতীয় নাগরিকের বিষয়টি আদালতের হাতে। আদালত সিদ্ধান্ত নেবে যে তার কী হবে। আমরা আদালতের প্রক্রিয়া যাতে সুষ্ঠুভাবে হয় তা দেখব। তার অধিকারের প্রতি সম্মান রেখেই সবকিছু করা হবে। এখনও পর্যন্ত তাই করা হয়েছে। অ্যান্টিগায় (Antigua) বা ভারতে (India) তার সঙ্গে কী হয়েছে তা নিয়ে আমাদের কোনও আগ্রহ নেই। একটি সম্প্রদায়ের অংশ হিসেবে আমাদের কিছু দায়িত্ব রয়েছে, সেগুলি আমরা পালন করব।” ডমিনিকার প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যের পর চোকসির ভারতে প্রত্যার্পণের আশা জোরালো হচ্ছে। তবে এখনও পর্যন্ত সিদ্ধান্ত রয়েছে আদালতের হাতেই। আবার অ্যান্টিগাতেও চোকসির বিরুদ্ধে মামলা চলায় ভারত তাকে শীঘ্র হাতে পাবে কি না, তা নিয়েও আশঙ্কা রয়েছে।

কিছুদিন আগেই মেুহুল চোকসিকে ভারতের হাতে তুলে দেওয়ার ব্যাপারে সরব ডমিনিকা। যদিও তাকে অ্যান্টিগাতে ফেরত পাঠানো হবে নাকি ভারতে পাঠানো হবে তা নিয়ে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি ডমিনিকার হাই কোর্টে। ডমিনিকান পাবলিক প্রসিকিউশন সার্ভিস হাইকোর্টকে এও বলে যে ৬২ বছর বয়সের চোকসি ভারতে ১৩ হাজার ৫০০ কোটি টাকার জালিয়াতি করেছে চোকসি। সে যে আর্জি করেছে তা রক্ষণযোগ্য নয় এবং তার শুনানি করাও উচিত নয়। কিন্তু মেহুল চোকসির কাউন্সিল আদালতে যুক্তি দেখিয়েছে, সে ডমিনিকার পুলিশ হেফাজতে নিরাপত্তা অনুভব করছে না। তাকে অ্য়ান্টিগায় (Antigua) ফেরত পাঠানো হোক। চোকসির আইনজীবীদের মতে যদি তাকে প্রত্যার্পণ করতেই হয় তবে অ্যান্টিগা ও বারবুডার (Antigua and Barbuda ) হাতে তুলে দেওয়া উচিত। সেখানে ইতিমধ্যেই প্রত্যার্পণের মামলা চলছে তার নামে। তার অ্যান্টিগার নাগরিকত্ব প্রত্যাহার করা নিয়েও মামলা চলছে। এই মামলার জটেই চোকসির ভারতে প্রত্যার্পণের ব্যাপার জড়িয়ে যেতে পারে।

লাল-নীল-গেরুয়া…! ‘রঙ’ ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা ‘খাচ্ছে’? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম ‘সংবাদ’!

‘ব্রেকিং’ আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের।

কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে ‘রঙ’ লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে ‘ফেক’ তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই ‘ফ্রি’ নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.
হ্যাঁ, আমি অনুদান করতে ইচ্ছুক >

Back to top button