Technology

মে সাস থেকে বন্ধ হতে চলেছে ইয়াহু আনসার

ওয়াশিংটন: ইয়াহু একটি নতুন পদক্ষেপ নিতে চলেছে। নতুন এই পদক্ষেপ তাদের ব্যবহারকারীদের জন্য হতাশজনক। এই বড়ো সার্চ ইঞ্জিন হোস্ট তাদের প্রশ্ন উত্তরের মাধ্যম বন্ধ করতে চলেছে। কর্তৃপক্ষের তরফে আগামী ৮ মে ইয়াহু আনসার বন্ধ করার কথা জানানো হয়েছে। ইয়াহু ২০০৫ সালে ব্যবহারকারীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে এই ব্যবস্থা চালু করেছিল। পাশাপাশি বলা চলে সবথেকে দীর্ঘ ওয়েব প্রশ্নোত্তররের প্লাটফর্মগুলির মধ্যে এটি একটি অন্যতম।

ইয়াহু বর্তমানে ভেরিজন মিডিয়া গ্রুপের একটি অংশ হিসেবে রয়েছে। আর এই সংস্থা তাদের ইয়াহু অ্যান্সার হোমপেজের নতুন করে বদল করার কথা ঘোষণা করেছে।

ভার্জ একটি রিপোর্টের মাধ্যমে জানিয়েছে, ব্যবহারকারীরা আগামী ৩০ জুন তারিখ পর্যন্ত তাদের ডেটার অনুরোধ জানাতে পারে, এবং অনুরোধের পরে সেই ডেটা পরবর্তী সময়ে তাদের অ্যাক্সেসযোগ্য হবে। অন্যদিকে ব্যবহারকারী ২০ এপ্রিলের পর নতুন কোনও প্রশ্ন বা উত্তর করতে পারবে না ইয়াহুতে। তবে তারা যদি তাদের প্রশ্ন এবং উত্তরের কপিগুলি ডাউনলোড করে রাখতে চায়, সেক্ষেত্রে তাদের প্রাইভেসি ড্যাশবোর্ডে সাইন ইন করে একটি অনুরোধ পাঠাতে হবে বলেও জানানো হয়েছে এই রিপোর্টে।

৩০ জুন ২০২১ তারিখের পর্যন্ত ব্যবহারকারী এটি চালিয়ে যেতে পারবে, তবে তারপরে ইয়াহুর তরফে সমস্ত ডেটা মুছে ফেলা হবে। পাশাপাশি পরবর্তী সময়ে পুরনো কোনো ডাটা আর উপলভ্য হবে না।

জাস্টিন ম্যাকেলরয় এই ইয়াহু সার্চ হোস্ট সমর্কে জানিয়েছিলেন, মানুষের নিজের জীবন এবং নানা বিষয় নিয়ে অনেক কৌতুহল এবং প্রশ্ন রয়েছে, যা তারা প্রকাশ্যে করতে লজ্জা পায়। আর ইয়াহুর এই প্রশ্ন উত্তর প্লাটফর্ম যথার্থ জায়গা প্রশ্নের উত্তরগুলি সন্ধান করার এবং জানার জন্য।

ইয়াহু উত্তরগুলি বিড করে দেওয়া অ্যাডিয়্যুও স্পষ্টতই এটি পরিষ্কার করে দেয় যে এটি গুগলের জবাব হারিয়েছে। গুগলের নানা পণ্য প্রতিনিয়ত মানুষকে ইন্টারনেটের ব্যবহারে পরিবর্তন করে চলেছে। এর পাশাপাশি রেডিট এবং কুওরা মতো মাধ্যম ব্যবহারকারীদের প্রশ্ন এবং উত্তরের জন্য কোনও পরিবর্তন ছাড়ায় একই ফর্ম এখনও চালিয়ে যাচ্ছে।

লাল-নীল-গেরুয়া…! ‘রঙ’ ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা ‘খাচ্ছে’? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম ‘সংবাদ’!

‘ব্রেকিং’ আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের।

কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে ‘রঙ’ লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে ‘ফেক’ তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই ‘ফ্রি’ নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.
হ্যাঁ, আমি অনুদান করতে ইচ্ছুক >

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।

Back to top button