International

রাজ পরিবার থেকে চিরতরে বিদায় হ্যারি-মেগানের, জানাল বাকিংহ্যাম প্যালেস

লন্ডন: শেষমেশ রাজ পরিবার থেকে বেরিয়ে এলেন প্রিন্স হ্যারি ও মেগান মর্কেল। শুক্রবার বাকিংহাম প্যালেসের তরফে এই খবর জানানো হয়েছে। এক বছর আগে তাঁরা রাজ পরিবার ছাড়ার কথা জানিয়েছিলেন। এবার বাকিংহাম প্যালেসের তরফে পুরোপুরিভাবে প্রিন্স হ্যারি ও মেগান মর্কেলের রাজ পরিবার থেকে সরে যাওয়ার কথা ঘোষণা করা হল।

রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ সাসেক্সের ডিউক ও ডাচেসকে নির্দেশ দিয়েছেন যেহেতু তাঁরা এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে রাজ উপধি ধারণ করেন, সেগুলি তাঁদের পরিত্যাগ করতে হবে। তাঁদের এও নিশ্চিত করতে হবে তাঁরা আর ব্রিটিশ রাজ পরিবারে ফেরত আসবেন না।

গত বছরই লন্ডন থেকে আমেরিকায় চলে এসেছিলেন প্রিন্স হ্যারি ও মেগান। ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যম এই ঘটনাকে ‘মেক্সিট’ আখ্যা দিয়েছিল। তাঁরা তখন জানিয়েছিলেন রাজপরিবারের বাঁধাধরা নিয়মে খাপ খাওয়াতে না পেরে সাধারণদের মতো স্বাধীন চলাফেরা করতেই এমন ঘোষণা করেছেন তারা। আর্থিকভাবে স্বনির্ভর হতে চাইছেন বলেও জানিয়েছিলেন। রাজপরিবারের সদস্য হিসেবে সারাক্ষণ গণমাধ্যমের নজরে থাকতে হয় বলে ব্যক্তিগত জীবন কঠিন হয়ে যাচ্ছিল। তাই হ্য়ারি ও মেগান এমন ঘোষণা করেন বলে জানিয়েছিলেন।

সন্তান আর্চির বেড়ে ওঠার পাশাপাশি নতুন একটি এনজিও খোলার পরিকল্পনার কথাও ঘোষণা করেছিলেন তাঁরা। হ্যারি-মেগানের ওই ঘোষণা বাকিংহাম প্রসাদকে বেশ বড় ধাক্কাই দিয়েছিল। রাজপরিবার তাদের সিদ্ধান্তের কারণে যতটা না আহত হয়েছিল, তার চেয়ে বেশি আহত হয়েছিল তারা যেভাবে আলোচনা না করে ওই ঘোষণা করেছিলেন তা নিয়ে। একসময় আমেরিকতেই অভিনেত্রী হিসেবে কাজ করেছেন মেগান। কাজের সূত্রে এক সময় টরন্টোতে কাটিয়েছেন। সেখানে তার বেশ কয়েকজন বন্ধু-বান্ধবও আছে। আর রাজপরিবারের জীবনে অনেক কিছুর সঙ্গেই তারা মানিয়ে নিতে পারছিলেন না। মেগান বলেছিলেন, তিনি বোবা পুতুলটি হয়ে থাকতে চান না। কিন্তু যখনই উচ্চকণ্ঠ করেছেন, তাকে সমালোচনায় পড়তে হয়েছে। তাই রাজ পরিবার ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি ও হ্যারি।

বাকিংহাম প্যালেসের তরফে জানানো হয়েছে, ডিউক ও ডাচেস অফ সাসেক্স জানিয়ে দিয়েছে যে তারা আর রাজ পরিবারে ফিরবে না। রানিও এনিয়ে লিখিত সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়েছেন। তাঁদের সঙ্গে রাজ পরিবারের দায়িত্ব পালন করা সম্ভব হবে না।

লাল-নীল-গেরুয়া…! ‘রঙ’ ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা ‘খাচ্ছে’? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম ‘সংবাদ’!

‘ব্রেকিং’ আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের।

কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে ‘রঙ’ লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে ‘ফেক’ তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই ‘ফ্রি’ নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.
হ্যাঁ, আমি অনুদান করতে ইচ্ছুক >

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।

Back to top button