Recipe

রান্নাঘরে অত্যাবশ্যকীয়, সস্তায় বাড়িতে মিলবে নুন

নুন আমাদের প্রত্যেকের রান্নাঘরে লাগবেই। আপনি পাতে নুন বা লবণ নাও খেতে পারে, কিন্তু রান্নায় নুন দেন না এটা খুব একটা দেখা যায় না। অতএব বাড়ির অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের তালিকায় নুন অন্যতম। রান্নায় নুন না দিলে তাতে স্বাদ আসে না। এছাড়া আচার জাতীয় যে কোনও কিছু তৈরি করতে বা কিছু ফল খেতেও নুনের ব্যবহার হয়।

বাজারে অনেক সময় সস্তায় নুন পাওয়া যায়। কিন্তু তা মূলত হয় মোটাদানার, এছাড়া তা ততটা স্বাস্থ্যকরও না। চিকিৎসকেরা এমনিতেই পাতে কাঁচা নুন না খেতে পরামর্শ দেন। তবে বহু মানুষ রয়েছেন, বলা যেতে পারে শতকরা ৯০ ভাগ মানুষ রয়েছেন যারা নুন ছাড়া খেতে পারেন না। তাঁদের উচিৎ অবশ্যই স্বাস্থ্যকর নুন খাওয়া।

 

অ্যামাজনে সস্তায় মিলছে খ্যাতনামা টাটা কোম্পানির নুন। ১ কেজির দাম মাত্র ১৮ টাকা। এই নুনে রয়েছে আয়োডিন। চিকিৎসকেরা বলেন, যে লবণ আয়োডিন রয়েছে তাই কেবলমাত্র খাওয়া উচিৎ। এই নুন পর্যাপ্ত পরিমাণে গ্রহণ বাচ্চাদের মানসিক সহায়তা করে এবং প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে আয়োডিনের ঘাটতিজনিত রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করে। তাহলে বেশি দেরি না করে অর্ডারটা করেই ফেলুন। বাড়ি বসেই নুন পেয়ে যাবেন।

বর্তমানে টাটা কোম্পানির নুনের জগতেও নানান বৈচিত্র নিয়ে হাজির হয়েছে। টাটার তরফে মিলছে টাটা সল্ট লাইট, টাটা সল্ট প্লাস, স্প্রিঙ্কলারস, টাটা ব্ল্যাক সল্ট, টাটা রক সল্ট ইত্যাদি। অনেকেই হয়তো জানেন না এ নুন আসলে তৈরি হয় ভারতেই।

রান্না ও খাবার ছাড়াও নুনের কিন্তু আরও নানান গুণ রয়েছে। অনেকেই হয়তো জানেন না, নুনের সঙ্গে লেবুর রস মিশিয়ে তামা বা পিতলের জিনিসপত্র মেজে নিলে তা রীতিমতো নতুনের মতো চকচক করে। এছাড়া, একটা দারুণ টেকনিক হল, আপনি যদি কোনও মোমবাতিকে নুন জলে ভিজিয়ে তারপর তা শুকিয়ে আগুন জ্বালান, সেক্ষেত্রে মোমবাতি জ্বালানোর পরেও আর মোম গড়িয়ে টেবিলে পড়বে না।

এছাড়া জুতোর দুর্গন্ধ দূর করতেও নুনের হাত রয়েছে। একটা কাগজে নুন ভরে অথবা নুন জুতোয় ছিটিয়ে দিলে আর জুতোর বদখৎ গন্ধ সহ্য করতে হবে না।

লাল-নীল-গেরুয়া…! ‘রঙ’ ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা ‘খাচ্ছে’? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম ‘সংবাদ’!

‘ব্রেকিং’ আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের।

কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে ‘রঙ’ লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে ‘ফেক’ তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই ‘ফ্রি’ নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.
হ্যাঁ, আমি অনুদান করতে ইচ্ছুক >

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।

Back to top button