offbeat news

শহরের পথে গড়াল ‘খাঁ সাহেবের’ মানব রথ, আশীর্বাদ আম আদমির

সৌপ্তিক বন্দ্যোপাধ্যায় : পথ ভাবে আমি দেব রথ ভাবে আমি,মূর্তি ভাবে।আমি দেব, হাসে অন্তর্যামী।’ এখানে কেউ কাউকে দেব ভাবেনি। কেউ কারও প্রতি হাসেনি। এখানে তিনিই যেন স্বয়ং দেবতা হয়ে এলেন রোজকার অফিস যাত্রীদের কাছে। শুরু করলেন মানব রথ। সৌজন্যে মন্ত্রী জাভেদ খান।
পুরীতে রথযাত্রা বন্ধ। পশ্চিমবঙ্গের সবচেয়ে বড় রথ মাহেশের বন্ধ যাত্রা। কিন্তু রথের আবহে শুরু হল এক অন্যরকম রথযাত্রা। মানব রথ। এই মুহূর্তে খুব দরকারী এই উদ্যোগ মন্ত্রী জাভেদ খান এবং তার পুত্র পুরসভার কো-অর্ডিনেটর ফাইয়াজ খানের। মানুষ রাস্তায়, কিন্তু বাস নেই। অফিসে যাওয়া আসা মানুষজন, অসুস্থ বৃদ্ধ মহিলা শিশু পথে বেরিয়ে বিপর্যস্ত । বাস কই? প্রাইভেট গাড়ি ট্যাক্সি করে যাওয়ার পয়সা তো সবার থাকে না। তাই যখন ভগবানের রথ বন্ধ তখন চালু হচ্ছে মানুষের জন্য রথ, নাম ‘মানব রথ’। দশটি অটো কাজের সময় হাজির থাকবে স্ট্যান্ডে। এগুলোই রথ । আর এই দশটি রথে বিনামূল্যে বিপর্যস্ত মানুষ পৌঁছে যাবেন গন্তব্যে। সেই রথের দড়িতে টান পড়েছে দেবরূপী জাভেদ খানের হাতে। মনে মানে ফ্ল্যাগ অফ। আজ থেকে মানব রথ চলছে গরগড়িয়ে।
আনলক পরিস্থিতিতে খুলে গিয়েছে অফিস-কাছারি। ফলে, শনি-রবি কিংবা ছুটির দিন ছাড়া প্রায় রোজই মানুষজনকে বাইরে বেরোতে হচ্ছে। এর মধ্যে রাস্তায় পর্যাপ্ত বাস না থাকায় ভুগতে হচ্ছে আম আদমিকে। এই অবস্থায় মানুষজনকে নিত্য ভোগান্তির হাত থেকে কিছুটা সুরাহা দিতে অটোর বন্দোবস্ত করেছেন। রাজ‍্যের মন্ত্রী জাভেদ খান সাংবাদিকদের বলেন, ‘নিজের বিধানসভা এলাকায় সাধারণ মানুষের সুবিধার জন্য দশ দিনে বিনামূল্যে ৬ হাজার অটো পরিষেবা দেওয়া হবে। আনুষ্ঠানিক ভাবে উদ্ববোধন করা হয়েছে। অটো পরিষেবা নাম দেওয়া হয়েছে মানব রথ।’ পাশাপাশি রাজ‍্য করোনা পরিস্থিতির মাঝে সাধারণ মানুষকে সামাজিক দুরত্ব মেনে চলতে বলা হয়েছে।

জিন মসজিদ থেকে পার্ক সার্কাস ও ডলফিন মোড় থেকে পার্ক সার্কাস পর্যন্ত যাওয়ার জন্য থাকছে ২ টি করে অটো। সাতগাছি থেকে পদ্মপুকুর ও গুলশান কলোনি থেকে টিআরএ হাসপাতালে যাওয়ার জন্য বরাদ্দ ৩ টি করে অটো। এতে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কিছুটা কমবে বলে মনে করা হচ্ছে। মন্ত্রী ও তাঁর পুত্রের উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন সকলেই।

পরিবেশের বন্ধুরা, স্কুলেই চলছে সবুজ বাঁচানোর লড়াই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close