offbeat news

শিকারের নেশায় লাইসেন্স নিয়ে পাকিস্তানে যান তারা!

ইসলামাবাদ: বছরে দুই একবার রীতিমতো লাইসেন্স জোগাড় করে পাকিস্তানের পাঞ্চগুরে আরবের শেখরা ভিড় জমান। মাত্র ১০ দিনের জন্যে লাইসেন্স থাকতো তাদের কাছে। আবার পাঞ্চগুরে যেতে গেলেও প্রশিক্ষিত গাইড নিয়ে বিশেষ জীপে যেতে হবে সেখানে। পাখি শিকার করার নেশায় তারা এই সমস্যার তোয়াক্কাই করেন না।

প্রতি বছর ‘হুবারা বাস্টার্ড’ নামে বিশেষ এক ধরনের পাখির শিকার করার জন্য হন্যে হয়ে পাকিস্তান ছুটে যান আরব বাদশাহ-যুবরাজরা। পরিযায়ী এই পাখিটির জন্যই তাদের এই পাগলামি। এই পাখি শিকার করতে গিয়ে আরবের শেখরা তোয়াক্কা করেন না নিরাপত্তা ঝুঁকি এমনকি সেই কাজে কোটি কোটি টাকা খরচের ব্যাপারেও।

১০ দিন শিকারের সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ ১০০টি হুবারা বাস্টার্ড মারার অনুমতি দিয়েছে পাক পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তবে সেই নিয়ম না মেনেই ২০১৪ সালে এক সপ্তাহে শিকার করা হয়েছিল প্রায় দুই হাজারেরও বেশি পাখি। মূলত মঙ্গোলিয়া ও তার প্রতিবেশী অন্যান্য দেশে দেখা যায় এই হুবারা বাস্টার্ড পাখিটিকে। শীতে পাকিস্তানে ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তাদের দেখতে পাওয়া যায়। হুবারা পাখি অনেকটা টার্কির মতোই বড় হয় দেখতে। আরব শেখদের বিশ্বাস এই পাখির মাংস তাদের আয়ু ও শারীরিক শক্তি বৃদ্ধি করে। এই পাখি শিকারে তালিকায় সবার উপরে থাকে সৌদি, কাতার এবং আরব আমিরাতের রাজ পরিবারের সদস্যরা।

হুবারা শিকার করার জন্যে বের করা হয়েছে বিশেষ এক উপায়। প্রশিক্ষিত বাজ পাখি দিয়ে শিকার হয় এই হুবারা পাখিকে। ঐতিহ্যগতভাবে হুবারা পাখি শিকার করতে বাজপাখি ব্যবহার করা হয়। বাজপাখি হুবারা ধরে আনার পর সেগুলো কাটা হয়। শিকারিরা বন্দুকও ব্যবহার করতেন অনেক সময়ে।

তবে ইদানীং বৈধ শিকার বেড়ে যাওয়ায় কেয়ারটেকাররা জাল দিয়ে হুবারা ধরে এবং শিকারি দল এসে পৌঁছানোর পর সেগুলো আকাশে ছেড়ে দেওয়া হয় বাজপাখি যাতে ধরে সেই জন্য। তবে এখন এই পাখির সংখ্যা কমে যাওয়ায় পাকিস্তানের হুবারা বাস্টার্ড শিকার কঠোরভাবে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে দেওয়া হয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া…! ‘রঙ’ ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা ‘খাচ্ছে’? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম ‘সংবাদ’!

‘ব্রেকিং’ আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের।

কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে ‘রঙ’ লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে ‘ফেক’ তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই ‘ফ্রি’ নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.
হ্যাঁ, আমি অনুদান করতে ইচ্ছুক >

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।

Back to top button