International

শিশুদের জন্যে ভ্যাকসিনের অনুমোদন চাইল ফাইজার-বায়োটেক

লন্ডন: ফাইজার বায়োএনটেক ১২ থেকে ১৫ বছর বয়সী বাচ্চাদের করোনভাইরাস ভ্যাকসিনের অনুমোদনের জন্য ইউরোপীয় ড্রাগ নিয়ন্ত্রকের (European drug regulator) কাছে একটি আবেদন জমা দিয়েছে।সংস্থার মূল উদ্দেশ্য, ভ্যাকসিনটি যাতে তরুণ সমাজ এবং কম ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীতে দ্রুত সরবরাহ করা|

দুটি সংস্থা শুক্রবার এক বিবৃতিতে বলেছে যে, তারা ইউরোপীয় মেডিসিন এজেন্সিকে যে আবেদন দিয়েছে তাতে ২ হাজারেরও বেশি ১২ থেকে ১৫ বছরের মধ্যে তরুণ সমাজের বিষয়ে সম্পূর্ণ তথ্য রয়েছে।এই পরীক্ষাটি উচ্চ প্রযুক্তির ব্যবহারে করা হয়েছে।যার মধ্যমে ভ্যাকসিনটি নিরাপদ ও কার্যকর বলে প্রমাণিত হয়েছে।যে সমস্ত কিশোর-কিশোরীদের উপর এই ভ্যাকসিনের ট্রায়াল হয়েছে তাদের পরবর্তী দুবছর নজর রাখা হবে। তাদের উপর ভ্যাকসিনের কোনো ক্ষতিকর প্রভাব পড়েছে কিনা তা নজর রাখা হবে।

এর আগে, ফাইজার এবং বায়োএনটেক US Food and Drug Administration-কে আবেদন করেছিল। তারা জানিয়েছিল ১২-১৫ বছর বয়সীদের জন্য তাদের ভ্যাকসিন জরুরী ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া উচিত।শিশুর জন্য এই ভ্যাকসিন অনুমোদিত হতে পারে এমন সংবাদ সামনে আসতেই জার্মানির স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেনস স্পেন স্বাগত জানিয়েছেন।তিনি বলেছেন, এই ভ্যাকসিনটি অনুমোদন দিলে টিকাকরণ প্রক্রিয়ায় বড় পরিবর্তন আসবে।

ফাইজার এবং বায়োএনটেক দ্বারা নির্মিত COVID-19 ভ্যাকসিনটি গত ডিসেম্বরে EMA দ্বারা সর্বপ্রথম জরুরিভিত্তিতে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছিল। তখন এটি ২৭ টি ইইউ ব্লকের ১৬ ও তার বেশি বয়সী জন্য ছাড়পত্র মিলেছিল।

ভারতে করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে বাদ যাচ্ছে না তরুণ প্রজন্মও। ফলে এই ভ্যাকসিন আশার আলো দেখতে পারে। প্রসঙ্গত, ভারতে এই মুহূর্তে জরুরিভিত্তিতে সিরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়ার কোভিশিল্ড, এবং ভারত বায়োটেকের কোভাক্সিন দেওয়া হয়েছে। শনিবার ১ মে ভারতে আসছে করোনার তৃতীয় প্রতিষেধক তথা প্রথম বিদেশি ভ্যাকসিন স্পুটনিক-ভি। গত ১২ এপ্রিল ড্রাগ কন্ট্রোলার অফ ইন্ডিয়া ( DGCI) ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে।ভারতে এই টিকা ব্যবহারের জন্য প্রস্তাব রেখেছিল হায়দরাবাদের ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি ডক্টর রেড্ডিস ল্যাবরেটরি। কেন্দ্র সরকারের কাছে স্পুটনিক ভি ব্যবহারের অনুমোদন চাওয়া হয়েছিল।

লাল-নীল-গেরুয়া…! ‘রঙ’ ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা ‘খাচ্ছে’? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম ‘সংবাদ’!

‘ব্রেকিং’ আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের।

কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে ‘রঙ’ লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে ‘ফেক’ তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই ‘ফ্রি’ নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.
হ্যাঁ, আমি অনুদান করতে ইচ্ছুক >

Back to top button