International

সহকর্মীকে অপসরণের প্রতিবাদ, কর্মীকে বরখাস্ত করল গুগল

ওয়াশিংটন: বিজ্ঞানী মার্গারেট মিশেলকে বরখাস্ত করল আলফাবেট ইনকস গুগল। শুক্রবার তাঁকে বরখাস্ত করা হয়। মার্গারেট টুইটারে সে কথা জানিয়েছেন। তিনি আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের সদস্য ছিলেন। গত ডিসেম্বর মাসে ওই টিমেরই টিমনিট গেব্রুকে বরখাস্ত করেছিল গুগল। মিশেল তার প্রতিবাদ করেছিলেন।

মার্গারেট মিশেল টুইটারে তাঁর সহকর্মী টিমনিট গেব্রুকে ক্ষমতাচ্যুত করার ঘোষণা করার পরই শুক্রবার গুগল তাঁর এই বরখাস্তের খবর নিশ্চিত করে। প্রসঙ্গত, গত বছরের শেষ দিকে গুগল এই ফিল্ডের আরও একজনকে বরখাস্ত করে। তাঁর নাম টিমনিট গেব্রু। এই বরখাস্তের বিষয়ে মিশেল টুইটারে রীতিমতো সরব হয়ে ওঠেন। এর ঠিক এক মাস পরে তাঁকেও টিম থেকে বরখাস্ত করা হয়। গেব্রু একজন কৃষ্ণাঙ্গ মহিলা। তিনি বলেছেন যে একটি গবেষণা পত্রের বিতর্কের কারণে তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে। গুগল তাঁকে পদত্যাগ পত্র দিতে বলে। তিনি নির্দেশ মতো কাজ করেন। গুগলের কয়েকশো কর্মচারী গেব্রুর পদত্যাগের একটি অনলাইন আবেদন করেন। সেখানে শতাধিক মানুষের স্বাক্ষর ছিল।

মিশেল এরপর ১৯ জানুয়ারির একটি টুইটের মধ্যমে বিষয়টি নিয়ে আরও সোচ্চার হন। নিজের কথা আরও স্পষ্টভাবে তুলে ধরেন তিনি। কিন্তু গুগলের বক্তব্য, মিশেলের বিরুদ্ধে সংস্থার নীতি ভঙ্গের অভিযোগ রয়েছে। সংসস্থার তরফে এও বলা হয়েছে যে একটি অভ্যন্তরীণ তদন্তে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে তিনি সংস্থার একাধিক নীতি ভঙ্গ করেছেন। সেই কারণে মিশেলকে বরখাস্ত করা হয়। এর পিছনে দ্বিতীয় কোনও কারণ নেই। গুগলের বিবৃতি অনুসারে লঙ্ঘনগুলির মধ্যে গোপনীয় সংস্থার নথিপত্র এবং তার কর্মচারীদের সম্পর্কে ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁসের অভিয়োগ রয়েছে। এই নিয়ে এই বছর জানুয়ারি মাসে আভ্যন্তরীণ তদন্ত শুরু হয়েছিল।

মিশেলকে খুব কম সময়ের নোটিসে ডাকা হয়েছিল বলে খবর। তারপরই তাঁকে বরখাস্ত করা হয়। তবে এ ব্যাপারে গুগলের তরফে কিছু জানানো হয়নি। মিশেল ও গেব্রুর ঘনিষ্ঠ সহকর্মী অ্যালেক্স হানা দুজনের বরখাস্তের তীব্র নিন্দা করেছেন।

লাল-নীল-গেরুয়া…! ‘রঙ’ ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা ‘খাচ্ছে’? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম ‘সংবাদ’!

‘ব্রেকিং’ আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের।

কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে ‘রঙ’ লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে ‘ফেক’ তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই ‘ফ্রি’ নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.
হ্যাঁ, আমি অনুদান করতে ইচ্ছুক >

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।

Back to top button