offbeat news

সুতির মাস্কেই মরবে ৯৯ শতাংশ ভাইরাস, দাবি বিজ্ঞানীদের

ওয়াশিংটন: দেখতে দেখতে বছর ঘুরতে চললো, তবুও বাগে আনা যায়নি করোনাকে। মারণ ব্যাধির ছোবলে পর্যদস্তু গোটা দুনিয়া। করোনাকে বশে আনতে দিনরাত এক করে আলোচনা-গবেষণা করে চলেছেন বিশ্বের তাবড়, তাবড় সব বিজ্ঞানীরা। তবুও এতগুলো মাস পরেও মেলেনি সেভাবে কোনও সদুত্তর। করোনা রোধে নিশ্চিত করে তেমন আশার আলো দেখাতে পারছে না পৃথিবীর কোনও দেশই।

তবে এতকিছুর মাঝে ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া এবং করোনার মতো অদৃশ্য জীবাণুদের মারতে সুতির মাস্ক বেশ ভালো কাজে দেবে বলে দাবি করলেন একদল বিজ্ঞানী।

জার্নাল এসিএস অ্যাপ্লাইড মেটেরিয়ালস এবং ইন্টারফেসে প্রকাশিত সমীক্ষা অনুসারে সংবাদ সংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, সম্প্রতি একটি গবেষণায় গবেষকরা দেখিয়েছেন যে, নতুন সুতির কাপড় দিয়ে তৈরি করা মাস্ক গুলি করোনার মতো ক্ষতিকর জীবাণু এবং ব্যাকটেরিয়াদের মেরে ফেলতে সক্ষম।

শুধু তাই নয়, গবেষকরা আরও জানিয়েছেন, সূর্যের আলোতে এই মাক্স গুলি ঘন্টায় ৯৯.৯ শতাংশ ব্যাকটেরিয়া এবং ভাইরাসকে বিনাশ করতে পারে।

গবেষকদের মতে, অন্যান্য মাক্সের তুলনায় এই সুতির মাস্ক গুলি প্রতিবার ব্যবহারের পর ধোয়া যেতে পারে। ১০ বার ধুলেও এই মাস্ক নষ্ট হয় না। যারফলে বর্তমানে অন্য সব মাক্সের তুলনায় এই সুতির রঙ বেরঙের মাস্ক গুলি বেশ জনপ্রিয় সকলের কাছে। এছাড়াও পুরো মুখ-নাক সুন্দর ভাবে ঢাকা থাকায় বাইরে বেরোলে বা কথা বলার সময় যেকোনও ক্ষতিকর ভাইরাসের দ্বারা সংক্রামিত হওয়ার সম্ভাবনা অনেক কম থাকে। যা অন্যান্য মাস্কে নেই বললেই চলে।

বিভিন্ন সুতির কাপড়ের উপকরণ দিয়ে তৈরি মাস্ক গুলি ন্যানোস্কেল অ্যারোসোল কণাকে ফিল্টার করতে পারে। যেমন কাশি বা হাঁচির থেকে মুক্তি দেওয়া। মারাত্মক কোভিড -১৯ সহ রোগের অন্যান্য রোগের বিস্তার কমাতে সহায়তা করে এই ধরনের মাস্ক গুলি ।

এই বিষয়ে গবেষণায় ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ডেভিস এর গবেষকরা একটি নতুন সুতির মাস্ক তৈরি করেছেন এবং সেটি কতটা ভাইরাস মারতে সক্ষম তা নিয়ে গবেষণা করেছেন।

গবেষকরা দেখিয়েছেন, সুতির মাস্ক পড়ে বাইরে বেরোলে তা জীবাণুর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে তা যথেষ্ট নিরাপদ এবং এটি ধুয়ে ফেলা যায়, পুনরায় ব্যবহারযোগ্য।

শুধু তাই নয়, সুতির মাস্ক ব্যবহারকারী কোনও ব্যক্তি তাঁর মাস্কটি ব্যবহারের পর সেটি রোদে মেলে রাখলে জীবাণুকে নষ্ট করে দিতে সক্ষম।

গবেষকরা সাধারণ সুতির সাথে ২-ডাইথাইলেমিনোয়েথিল ক্লোরাইড (ডিইএই-সিএল) এর চেইন সংযুক্ত করে তাদের অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল কাপড় তৈরি করেছিলেন।

প্রথম ভারতীয় তরুণী হিসেবে কান চলচ্চিত্র উৎসবে পুরস্কার পেয়েছেন এই তরুণী। মুখোমুখি মধুরা পালিত I

Back to top button