International

সুমনা গুহ! বাইডেনের জাতীয় নিরাপত্তায় গুরুত্বপূর্ণ পদে বাঙালি

তন্নিষ্ঠা ভাণ্ডারী: আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচন নিয়ে আগ্রহ থাকে গোটা বিশ্বের। তবে এবার ওয়াশিংটনের দিকে বিশেষ নজর ছিল ভারতের। কারণ, নির্বাচনের অন্যতম আকর্ষণের কেন্দ্র ছিলেন নয়া নির্বাচিত ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস। আমেরিকায় ইতিহাস গড়ে প্রথম মহিলা হিসেবে ওই পদে নির্বাচিত হয়েছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত কমলা দেবী হ্যারিস। তবে তিনি একা নন, নয়া প্রেসিডেন্টের অফিসে একাধিক পদে থাকবেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত ব্যক্তিত্বরা।

অন্তত ২০ জন ভারতীয় থাকছেন একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদে। আর তার মধ্যে রয়েছেন এক বাঙালিও। সুমনা গুহ। মার্কিন প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদে বসছেন তিনি।

আমেরিকার ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সিনিয়র ডিরেক্টর ফর সাউথ এশিয়া হিসেবে ধাকবেন তিনি। শুধু দক্ষিণ এশিয়া নয়, মধ্য এশিয়া নিয়েও কাজ করেছেন তিনি। ২০১২-র অগস্টে পলিসি প্ল্যানিং স্টাফ হিসেবে যোগ দেন সুমনা।

একসময় আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের স্পেশাল রিপ্রেজেন্টেটিভ অফিসের সিনিয়র অ্যাডভাইজর হিসেবে কাজ করেছেন তিনি। তাঁর প্রোফাইলে রয়েছে ভাইস প্রেসিডেন্টের আফিসে জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ে স্পেশাল অ্যাডভাইজর হওয়ার অভিজ্ঞতাও। মার্কিন স্বরাষ্ট্র সচিবের দফতরে ২০ বছর ধরে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছেন তাঁর।

জর্জটাউন ও জন হপকিন্স ইউনিভার্সিটি থেকে ডিগ্রি অর্জন করেছেন সুমনা গুহ। জর্জটাউন ইউনিভার্সিটি থেকে পেয়েছেন মাস্টার ডিগ্রি ও জন হপকিন্স ইউনিভার্সিটি থেকে অর্থনীতি ও আর মনোস্তত্ত্ব নিয়ে স্নাতক হয়েছেন। তাঁর ‘বায়ো’ বলছে, ফরাসি ও রাশিয়ান ভাষার পাশাপাশি বাংলাতেও কথা বলতে পারেন সুমনা।

শুধু সুমনা নন, ২০ জন ইন্দো-আমেরিকানকে নিয়ে থাকছেন নতুন এই প্রশাসকের দলে। তাঁদের মধ্যে ১৩ জন মহিলা। প্রত্যেকেই সম্মানিত ও গুরুত্বপর্ণ পদ পেতে চলেছেন বলে খবর। হোয়াইট হাউস অফিস অফ ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড বাজেট বিভাগের ডিরেক্টর পদে বসতে চলেছেন নীরা ট্যান্ডন। তাঁর বাবা ও মা দুজনেই ভারতীয়।

তিনি প্রোগ্রেসিভ সেন্টার ফর আমেরিকান প্রোগ্রেসের প্রেসিডেন্ট পদে ছিলেন। পাবলিক হেলথ সার্ভিস কমিশনে উচ্চপদে কর্মরত ছিলেন মার্কিন সার্জন ড. বিবেক মূর্তি। করোনা পরিস্থিতিতে যে টাস্ক ফোর্স কাজ করবে সেটি সামলানোর দায়িত্ব বর্তেছে তাঁর উপর।

উজরা জেয়া ২০১৮ সালে বিদেশ মন্ত্রক ত্যাগ করেন। ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীতি মানতে পারেননি তিনি। এই প্রতিবাদী মহিলাকে বাইডেন শান্তিস্থাপন জোটের সিইও করেছেন। মালা আডিগা জো বিডেনের স্ত্রী জিল বিডেনের সিনিয়র অ্যাডভাইসর হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন।

তিনি জো বিডেন ও কমলা হ্যারিসের ক্যাম্পেনের সিনিয়র পলিসি অ্যাডভাইসর। গরিমা বর্মা বিডেন ও হ্যারিসের কনটেন্ট স্ট্র্যাটেজি উন্নয়ন নিয়ে কাজ করেছেন। এখন তিনি জিল বিডেনের ডিজিটাল এডিটর হিসেবে ‘দ্য ফ্লোটাস’ টিমে যোগ দেবেন।

কাশ্মীরের মেয়ে আয়েশা শাহ বিডেন ও হ্যারিসের নির্বাচনী ক্যাম্পেনে কাজ করেছিলেন। এবার তিনি ‘অ্যাডভান্সমেন্ট বিশেষজ্ঞ’ হিসেবে স্মিথ সোনিয়ান ইনস্টিটিউশনে যোগ দেবেন। আর এক কাশ্মীরি কন্যা সমিরা ফাজিলি অর্থনৈতিক এজেন্সির দায়িত্ব সামলাবেন। গৌতম রাঘবন নামে আর এক ভারতীয় বংশোদ্ভূত আগে ওবামার সঙ্গে কাজ করেছেন।

বাইডেনের সঙ্গেও এবার তিনি কাজ করতে চলেছেন। তিনি প্রেসিডেন্টের ব্যক্তিগত টিমের অংশ হতে চলেছেন। ভারত রমামূর্তি হবেন রুজভেল্ট ইনস্টিটিউটের কর্পোরেট পাওয়ার প্রোগ্রামের ডিরেক্টর।

লাল-নীল-গেরুয়া…! ‘রঙ’ ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা ‘খাচ্ছে’? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম ‘সংবাদ’!

‘ব্রেকিং’ আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের।

কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে ‘রঙ’ লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে ‘ফেক’ তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই ‘ফ্রি’ নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.
হ্যাঁ, আমি অনুদান করতে ইচ্ছুক >

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।

Back to top button