offbeat news

সুমেরু অঞ্চলে একা কাটিয়েছেন লক ডাউন! কঠিন অভিজ্ঞতা

আমাদের বেশিরভাগ এর কাছে প্যানডেমিক ছোট নির্বাসিত হওয়ার অন্য নাম। কিন্তু কারো কারো কাছে পেয়ে একটা সুযোগ ছিল নিজেকে নির্বাসনে পাঠানোর। অর্থাৎ একা থাকার সুযোগ। তাই পৃথিবীর বাইরে যাওয়ার সুযোগ তো নেই কিন্তু পৃথিবীর মধ্যে এমন অনেক জায়গা আছে যেখানে আপনি স্বেচ্ছায় যেতে পারেন নির্বাসনে। তার মধ্যে অন্যতম হলো সুমেরু অঞ্চল (arctic circle)।

ভ্যালেন্টিনা মিওজো (Valentina Miozzo) আবার তার থেকেও একধাপ উপরে গিয়েছেন। তিনি আর্কটিক বলয়ের মধ্যে অবস্থিত নরওয়ের (norway) একেবারে উত্তরে থেকেছিলেন।

ঠিক প্যানডেমিক এর মাঝামাঝি সময়ে তিনি সেখানে বাসস্থান গড়ে তোলেন। তিনি জানান ডিসেম্বর এবং জানুয়ারি মাস দুটোই পুরোপুরি অন্ধকার সময়। মহিলা পেশায় একজন গাইড। তিনি উত্তর ইতালির বাসিন্দা।

তিনি ইতালির বাসিন্দাদের বিদেশে প্রকৃতি বিষয়ক ট্যুর করাতে নিয়ে যান। তিনি সারা জীবনটাই রাস্তার উপরেই প্রায় কাটিয়েছেন। তার পেশার কারণে তাকে বছরের ছয় মাসই বাড়ির বাইরে কাটাতে হতো। কিন্তু প্যানডেমিক (pandemic) এর ফলে সব কিছুই বদলে গেল। পর্যটন শিল্পে (tourism) আমূল পরিবর্তন এলো।

আরো পড়ুন- ভাবা যায়! বাড়িতে ৭টি মূর্তি রাখলেই ফুলে ফেঁপে উঠবে টাকা

তবে তার পেশা (tour guide) চালিয়ে যেতে না পারার কারণে তিনি শুরু করলেন ব্লগিং করা। এরপরে একটা সময় ইতালিতে সবথেকে কঠোর ভাবে পালিত হয়েছিল লকডাউন। সে কারণেই ২০২০ সালের গ্রীষ্মকাল পড়তেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসতে থাকে এবং তিনি আবার নতুন উদ্দীপনায় কাজ শুরু করার চেষ্টা করেন।

এরপরে তাকে ইনস্টাগ্রামের মাধ্যমে সেপ্টেম্বরে একটি বিশেষ প্রস্তাব পাঠানো হয় যেখানে বলা হয় তাকে কাজের অংশ হিসেবে সুমেরু অঞ্চলে থাকতে হবে একটি গেস্ট হাউজে। তিনি বিন্দুমাত্র ভয় পাননি। বরঞ্চ উৎসাহিত হয়ে হ্যাঁ বলেছিলেন। যেহেতু তিনি পেশাগতভাবে (tour guide) ভ্রমণের কাজ করতে পারছিলেন না তাই এটাই তার কাছে সুযোগ ছিল আবার নতুনভাবে তার কাজ শুরু করার।

মাত্র দুই দিনের মধ্যে বিশেষ প্রস্তাব গ্রহণ করেন। ঠিক এক মাস পরে তিনি পৌঁছান কংসফোর্ড (Kongsfjord) যা তার বাসস্থান ইতালির মডেনা থেকে ২৪০০ মাইল উত্তরে অবস্থিত। তিনি জানিয়েছেন তিনি যেখানে থাকতেন সেখান থেকে সুপারমার্কেট ২৫ মাইল দূরে, হাসপাতাল ২০০ মাইল দূরে এবং বিমানবন্দরও ২৫ মাইল দূরে ছিল।

শীতকালে সেখানে ৭৫ মাইল প্রতি ঘন্টা বেগে ঝড় বইতো এবং চারিদিক শুধু বরফের মোটা চাদরে ঢাকা। সপ্তাহে একদিন অথবা দুই সপ্তাহে একদিন বাসিন্দারা বাজার করতে যেত। যতদিন না রাস্তা পরিস্কার করা হতো ততদিন তারা বের হতে পারত না। তার বয়ান থেকেই স্পষ্ট সেখানকার জলবায়ু এবং পরিস্থিতি কতটা কঠিন এবং দুর্গম।

লাল-নীল-গেরুয়া…! ‘রঙ’ ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা ‘খাচ্ছে’? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম ‘সংবাদ’!

‘ব্রেকিং’ আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের।

কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে ‘রঙ’ লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে ‘ফেক’ তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই ‘ফ্রি’ নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.
হ্যাঁ, আমি অনুদান করতে ইচ্ছুক >

Back to top button