International

সুসম্পর্ক বজায় রাখতে কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা প্রয়োগের শর্ত দিলেন ইমরান খান

ফাইল ছবি৷

ইসলামাবাদ: গত ২৩ মার্চ পাকিস্তানের জাতীয় দিবস উপলক্ষে প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তানের সকল নাগরিককে শুভেচ্ছা জানিয়ে ইমরান খানকে চিঠি পাঠিয়েছিলেন নরেন্দ্র মোদী। তাতে পাকিস্তানের সাথে সৌহার্দপূর্ণ সম্পর্ক রাখার কথাই ছিল ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর। এর পাল্টা মোদিকে চিঠি দিয়েছিলেন পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানও।মোদির চিঠির উত্তরে ইমরান খান লিখেছিলেন যে পাকিস্তানও ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক চায়।আর তাতেই বিশেষজ্ঞমহল মনে করছিল যে এবার হয়তো ভারত-পাকিস্তান দুই দেশের সম্পর্ক ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করবে।

 

এমনকি গত বুধবার ভারতের উপর থেকে বাণিজ্য সংক্রান্ত নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার কথা জানিয়েছিল পাকিস্তান। তার একদিন পরেই পাল্টা সুর পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের। সূত্রের খবর, দীর্ঘ আলোচনার পর পাক ক্যাবিনেট এই সিদ্ধান্তকে খারিজ করে দিয়েছে। যা নিয়ে ফের উত্তাল আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক মহল।পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান বলেন যে জম্মু ও কাশ্মীরে আবারও ৩৭০ ধারা প্রয়োগ না করা পর্যন্ত ভারত-পাকিস্তানের সম্পর্ক স্বাভাবিক হতে পারে না। এরফলে ভারত-পাকিস্তানের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যিক সম্পর্কে ফের ছন্দপতনের সম্ভাবনা দেখছে ওয়াকিবহাল মহল।

 

২০১৯ এর ৫ আগস্ট, ভারত সরকার ৩৭০ ধারা বাতিল করে দেয়, এর মাধ্যমে জম্মু ও কাশ্মীরকে দেওয়া বিশেষ মর্যাদা বাতিল করে দেওয়া হয়। ৩৭০ ধারা অনুসারে ওই রাজ্যকে নিজস্ব সংবিধানের খসড়া তৈরির অনুমতি দেওয়া হয়। ভারতভুক্তি সহ কোনও কেন্দ্রীয় আইন বলবৎ রাখার জন্য রাজ্যের মত নিলেই চলে। ১৯৪৭ সালে, ব্রিটিশ ভারতকে ভারত ও পাকিস্তানে বিভাজন করে ভারতীয় সাংবিধানিক আইন কার্যকর হওয়ার সময়কাল থেকেই ভারতভুক্তির বিষয়টি কার্যকরী হয়।৩৭০ ধারা বাতিলের পর রাজ্যটি দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখে বিভক্ত হয়ে যায়।জম্মু কাশ্মীরের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ যেমন মেহবুবা মুফতী ও ওমর আবদুল্লাহকে গৃহবন্দী করে রাখা হয়।

 

মার্চে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান জেনারেল কামার জাভেদ বাজওয়া বলেছিলেন যে, ‘দু’দেশের অতীতকে ভুলে এবং এগিয়ে যাওয়ার সময় এসেছে।তবে আমাদের প্রতিবেশী দেশ ভারতকে কাশ্মীরে অনুকূল পরিবেশ তৈরী করতে হবে।’

লাল-নীল-গেরুয়া…! ‘রঙ’ ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা ‘খাচ্ছে’? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম ‘সংবাদ’!

‘ব্রেকিং’ আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের।

কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে ‘রঙ’ লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে ‘ফেক’ তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই ‘ফ্রি’ নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.
হ্যাঁ, আমি অনুদান করতে ইচ্ছুক >

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।

Back to top button