International

সৌজন্যতার অভাব! দুই পুরুষ দখল করল চেয়ার, দাঁড়িয়ে রইলেন মহিলা প্রেসিডেন্ট

আঙ্কারা: সৌজন্যের বোধ বোধহয় মানব সমাজ থেকে ধীরে ধীরে লোপ পেতে বসেছে। নাহলে একজন মহিলাকে দাঁড় করিয়ে রেখে চেয়ার দখল করে বসে থাকে দুজন পুরুষ? ঘটনাটি ঘটেছে ইউরোপিয়ান কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন দের লিয়েনের সঙ্গে। তিনি সম্প্রতি তাঁর সহযোগীদের সঙ্গে তুরস্ক গিয়েছিলেন। সেখানেই এই ঘটনা ঘটে।

বুধবার আঙ্কারায় তুরস্কের প্রেসিডেন্ট তাইপ এরডোগানে সঙ্গে বৈঠক ছিল ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের। বৈঠকে অংশ নেন তাঁর ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের সহকর্মীও। তাঁরা তিনজন বৈঠকের জন্য একটি ঘরে উপস্থিত হওয়া মাত্রই একটু হতচকিয়ে যান উরসুলা। কারণ ঘরে মাত্র ২টি চেয়ার ছিল। কিন্তু অবাক হওয়ার তখনও বাকি ছিল। উরসুলাকে অবাক করে দিয়ে দুই পুরুষ তাঁর পাশ থেকে গিয়ে সটান গিয়ে বসে পড়েন ওই চেয়ারে। হতভম্ব হয়ে দাঁড়িয়ে থাকেন তিনি। ইউরোপিয়ান কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট মাইকেল ও তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরডোগানের মাঝে দাঁড়িয়েই থাকেন তিনি। পরে তিনি ওই কামরারই একটি সোফায় গিয়ে বসেন।

এই ঘটনার ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। ভিডিওয় দেখা গিয়েছে তিনজন একসঙ্গেই ঘরে ঢুকলেন। তারপর উরসুলার পাশ থেকে দুই পুরুষ আগেভাগে গিয়ে সামনের দুই চেয়ারে বসে পড়লেন। অবাক উরসুলা কিছুক্ষণ হতভম্বের মতো দাঁড়িয়ে রইলেন। ভিডিওয় তাঁর হাতের মুভমেন্টেই বোঝা গিয়েছে তাঁর কাছে এই কাজ কতটা অপ্রত্যাশিত। কিন্তু তিনি কী আর করবেন! তাই পাশের একটি সোফায় বসলেন তিনি। অনেকেই এই ভিডিওটি দেখে নিজেদের অবাক হওয়া লুকোতে পারেননি। সরাসরি নেটদুনিয়য়ায় নিজেদের অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন তাঁরা। অনেকে আবার বিষয়টিকে অতিরঞ্জিত করার অভিযোগও তুলেছেন।

ঘটনায় ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট এরিক মামের বলেছেন, কমিশনের প্রেসিডেন্ট অবাক হয়ে গিয়েছিলেন। ইউরোপিয়ান কাউন্সিল ও তুর্কির প্রেসিডেন্টের মতো সমান ব্যবহার করা উচিত ছিল তাঁর সঙ্গেও। ইউরোপিয়ান কমিশন তাদের নেত্রীর সঙ্গে এমন ব্যবহারে সোচ্চার হয়েছে।

“Ehm” is the new term for “that’s not how EU-Turkey relationship should be”. #GiveHerASeat #EU #Turkey #womensrights pic.twitter.com/vGVFutDu0S

— Sergey Lagodinsky (@SLagodinsky) April 6, 2021

লাল-নীল-গেরুয়া…! ‘রঙ’ ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা ‘খাচ্ছে’? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম ‘সংবাদ’!

‘ব্রেকিং’ আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের।

কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে ‘রঙ’ লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে ‘ফেক’ তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই ‘ফ্রি’ নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.
হ্যাঁ, আমি অনুদান করতে ইচ্ছুক >

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।

Back to top button