বিনোদন

স্ত্রীকে নিয়ে মহেশ বাবুর আবেগঘণ পোস্ট

আগামবার্তা ডেস্ক: ২০০৫ সালে বিয়ে করেন মহেশ বাবু ও নম্রতা শিরোদকার। প্রাক্তন বিশ্বসুন্দরী ও বলিউড অভিনেত্রী বিয়ের পরে চলচ্চিত্র জগৎ থেকে পুরোপুরি বিদায় নেন। দুই ছেলেমেয়ে ও মহেশকে নিয়েই যে তার জগৎ সেটা তার সোশাল মিডিয়া প্রোফাইল দেখলেই বোঝা যায়। সম্প্রতি স্ত্রীকে নিয়ে একটি আবেগঘণ পোস্ট করেছেন মহেশ ও পিঙ্কভিলাকে দেয়া একটি সাক্ষাৎকারে জানান, নম্রতা তার সবচেয়ে বড় ভরসা ও তার কাজের সবচেয়ে বড় সমালোচকও বটে। নম্রতা শিরোদকার ১৯৯৩ সালে মিস ইন্ডিয়া খেতাব জেতার পরে মিস ইউনিভার্স প্রতিযোগিতায় অংশ নেন। শেষ ছয়ে নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি। শিল্পা শিরোদকারের বোন নম্রতা মূলত মডেলিং দিয়েই শুরু করেন যাত্রা, পরে অভিনয়ে আসেন। তার প্রথম ছবি ‘যব পেয়ার কিসিসে হোতা হ্যায়’। নম্রতা অভিনীত সবচেয়ে জনপ্রিয় ছবি সম্ভবত ‘পুকার’, ‘বাস্তব’ ও ‘অস্তিত্ব’। হিন্দি ছবির পাশাপাশি দক্ষিণের একাধিক ভাষার ছবিতে অভিনয় করেন নম্রতা তার ৬ বছরের অভিনেত্রী জীবনে। ২০০০ সালে তেলুগু ছবি ‘ভামসি’-র সেট থেকেই মূলত মহেশ বাবুর সঙ্গে তার বন্ধুত্ব গাঢ় হয়। ২০০৫ সালে বিয়ে করেন নম্রতা-মহেশ এবং তার পর থেকে আর অভিনয়ে ফিরে যাননি কখনো নম্রতা। মহেশ ও নম্রতার প্রথম সন্তানের জন্ম হয় ২০০৬ সালে। আর ২০১২ সালে আসে তাদের দ্বিতীয় সন্তান সিতারা। চারজনের এই সুখী পরিবারের ছবি প্রায়শই দেখতে পাওয়া যায় মহেশ বাবু ও নম্রতা শিরোদকারের সোশাল মিডিয়া প্রোফাইলে।

আরো পড়ুন: সালমান শাহ’র জন্মদিন আজ

সম্প্রতি মুম্বইতে একটি ফোটোশুটে এসেছিলেন মহেশ বাবু। সেই শুট চলাকালীন ফোটোগ্রাফার অবিনাশ গোয়ারিকর একটি ছবি তোলেন যেখানে মহেশের পিছনে অফ-ফোকাসে দেখা যাচ্ছে নম্রতা শিরোদকারকে। এই ছবিটি ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করে মহেশ বাবু লেখেন, আমার পিছনে সব সময় সে আছে। ঠিক যেভাবে বলা হয় যে সব সফল পুরুষের পিছনেই রয়েছে কোনও নারীর নিঃশব্দ অবদান। মহেশ ও নম্রতার ১৪ বছরের এই সম্পর্ক অনেক দম্পতির কাছেই অনুপ্রেরণা। নম্রতা অভিনয় থেকে সরে গেলেও বিভিন্ন সমাজসেবামূলক কাজে ব্যস্ত থাকেন তিনি, যে কাজে তার সহায়ক তার স্বামীও। মির্চি নাইন ডট কমের একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১০০০ জন শিশুর হার্ট অপারেশনের দায়িত্ব নিয়েছেন মহেশবাবু। সম্প্রতি আবার শিশুদের চিকিৎসার জন্য ২৫ লাখ টাকার ফান্ড জোগাড় করেছেন নম্রতা চ্যারিটি শোয়ের মাধ্যমে। পিঙ্কভিলা-কে দেয়া একটি সাক্ষাৎকারে মহেশ বাবু বলেন, “নম্রতা আমার কাছে খুব বড় ভরসার জায়গা। আমি ওর কাছে যেমন প্রচুর উৎসাহ পাই আবার আমার কাজের ও সবচেয়ে বড় সমালোচক। আমি যখনই কোনো ব্যাপার নিয়ে ধন্দে পড়ি, ও অনেকটা ভারসাম্যের কাজটা করে। প্রেম অথবা বিবাহিত সম্পর্কে সেটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।” সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস এসএল/এএইচ

Leave a Reply

Back to top button
Close