Recipe

হারিয়ে যাওয়া বাঙালি মেনু নিয়ে অনলাইনে হাজির ‘ফ্রাইপ্যান’

কলকাতা: যতই এনআরসির ভূত তাড়া করে ফিরুক, বাঙালিকে পাত ছাড়া করবে এমন ভূত গোটা বিশ্বে মেলা ভার। আর যদি দিনটা রবিবার হয়, তাহলে মোহময় দুপুর নিখাদ বাঙালি স্বাদে আর আঘ্রাণে ভরে উঠবেই, তা একশো শতাংশ হলফ করে বলা যায়।

দুধ সুক্ত, কাতলা কালিয়া কিম্বা মোহিনী পার্শের স্বাদ আপনাকে একবারও কি মনে করিয়ে দেবে না আপনার মায়ের হাতের রান্না! তাই জমজমাটি খাঁটি বাঙালি ভোজের রমরমা আজ থেকে ফ্রাইপ্যানের মেনুতে।

 

 

কি নেই সেখানে, লুচি পাঠার মাংস কিম্বা ঘি পোলাও এর মন মাতানো গন্ধ আপনাকে একবার হলেও নস্টালজিক করে তুলবেই। তবে এই ফ্রাইপ্যান রেস্তোরাঁটি একটু আলাদা। বলছিলেন রেস্তোরাঁর কর্ণধার বনি।

তাঁর পরিকল্পনা, যেসব বাঙালি খাবার আমাদের পাত থেকে হারিয়ে যেতে বসেছে, তা আবার বাঙালির পাতে ফিরিয়ে আনা। তার জন্য আপনাকে কোথাও যেতে হবে না, শুধুমাত্র খাবারের যোগান দেয় এমন একটি অ্যাপ জ্যোমাটো, সেখানে গিয়ে শুধু ফ্রাইপ্যান খুঁজে অর্ডার দিন।

 

আর দামের ব্যাপারটা? সেখানেও চমক বনির রেস্তোরাঁ ফ্রাইপ্যানের। সাড়ে তিনশো টাকার মধ্যে দিব্যি লাঞ্চ সারা হয়ে যাবে। চর্ব চোষ্য লেহ্য পেয়, কি নেই সেই কম্বো মেনুতে। তাই আরও একবার বাঙালি আনা চেখে দেখতে জোমাটো অ্যাপে গিয়ে ফ্রাইপ্যান খুঁজে নিন। এরপর ফ্রাইপ্যান খুঁজে নেবে আপনাকে।

লাল-নীল-গেরুয়া…! ‘রঙ’ ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা ‘খাচ্ছে’? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম ‘সংবাদ’!

‘ব্রেকিং’ আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের।

কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে ‘রঙ’ লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে ‘ফেক’ তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই ‘ফ্রি’ নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.
হ্যাঁ, আমি অনুদান করতে ইচ্ছুক >

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।

Back to top button