Life Style

হৃদযন্ত্র ভাল রাখে, বাড়ায় সৌন্দর্যও; তিসি বীজকে ডায়েটে রাখার পরামর্শ পুষ্টিবিদদের

: আজকাল স্বাস্থ্যের সন্ধানে মানুষ খায় না, এমন জিনিস নেই। দৈনন্দিন জীবনযাপনে সাধারণত যেসব খাবারের কথা ভাবে না সাধারণ মানুষ তেমন জিনিসও পুষ্টির কথা ভেবে অবলীলায় খাদ্যতালিকায় ঢুকিয়ে নেন তাঁরা। 
যেমন তিসির বীজ বা ফ্ল্যাক্সসিড (Flax Seed)। এই বীজ এক ধরনের ফাংশনাল ফুড ৷ পুষ্টি বিশেষজ্ঞেরা বলছেন, এর পুষ্টিগুণ তুলনাহীন। দেখতে খয়েরি, খেতে মুচমুচে এই বীজে আছে লিগন্যানস, ফাইবার, প্রোটিন এবং আলফা লিনোলেনিক অ্যাসিড বা ওমেগা থ্রির মতো পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড।

পুষ্টি বিশেষজ্ঞেরা এটিকে ‘সুপারফুডে’র অ্যাখ্যাও দিচ্ছেন। কেন? কারণ, এতে অন্যান্য খাবারের চেয়ে বহুগুণ বেশি লিগন্যানস থাকে। এই বীজ ভিজিয়ে রেখে বা গুঁড়ো করে খেলে এটি দ্রুত কাজ করে। ব্রেকফাস্টেও খাওয়া চলে। কিন্তু ঠিক কী কী উপকার পাওয়া যায় এ থেকে? আসুন, দেখে নেওয়া যাক।
আরও পড়ুন: গভীর ঘুম স্নায়ুরোগের দারুণ ওষুধ, মত চিকিৎসকদের

ফ্ল্যাক্সসিড (Flax Seed) হজম ক্ষমতা বাড়ায়, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। অন্ত্রকে ভাল রাখে। ডায়াবেটিস (diabetes) নিয়ন্ত্রণ করে এই বীজ। ইনসুলিনের ক্রিয়াকলাপ নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষেত্রে তিসির বীজ খুবই কার্যকরী। তিসি বীজ রক্তচাপ কমায়। খারাপ কোলেস্টেরল কমায়। ধমনীতে কোনও অবাঞ্ছিত বস্তু জমতে দেয় না। ফলে পরোক্ষে এই বীজ হৃদরোগ প্রতিরোধ করে। অর্থাৎ, সামগ্রিক ভাবে এটি হার্টের (heart) স্বাস্থ্য ভাল রাখে। স্নায়ুতন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্যও তিসি ভাল। এছাড়াও এটি চুল ও ত্বকও সুন্দর রাখে। এক্ষেত্রে তিসির তেল সরাসরি ত্বকে বা চুলে ব্যবহার করলেও ফল পাওয়া যায়। তিসি বীজ অ্যালঝাইমার এবং পার্কিনসন রোগ প্রতিরোধ করে। সবে চেয়ে আশার কথা, তিসি বীজ ক্যানসারের ঝুঁকিও কমায়।
ফলে, আর দেরি না করে, আজই আপনার দৈনন্দিন ডায়েটের তালিকায় ঢুকিয়ে নিন আপাতভাবে নতুন এই খাদ্য উপাদানকে।
আরও পড়ুন: শুধু পুষ্টিগুণে নয়, রূপচর্চাতেও কামাল গাজরের

Back to top button