Recipe

হোলির ডিনারে “জিরো অয়েল চিকেন”, খেয়ে-খাইয়ে সন্তুষ্টি

অনুস্মিতা ভট্টাচার্য: আজ কয়েক ঘন্টা পেরোলেই কাল আপামর দেশবাসী মাতবে রঙের উৎসবে। রঙ খেলার পাশাপাশি খাওয়া-দাওয়া আর খাওয়ানোর উৎসবও এটি সেটা ভুললে চলবে না। তাই মায়ের কাছে প্রশ্ন রাখলাম যে হোলির স্পেশাল পদে আমাদের পাঠকদের জন্যে এমন কী সুস্বাদু আর পুষ্টিকর পদ রাখা যায় যা এনে দেবে চমক? মায়ের উত্তর “শুধু চমক নয়, এমন কিছু আইডিয়া দে যা শরীরকেও রাখবে ফিট”। সত্যি তো হোলির আনন্দে মেতে আমরা একদিনেই যথেচ্ছ খেয়ে ফেলি আর রাত্রিবেলা গিয়ে সব আনন্দ মাটি।

তবে দিনের মতো রাতেও অনেক জায়গায় পার্টি হয় বা আপনিও পার্টি রাখতে পারেন। এবার সেই পার্টির মধ্যমণি হোক “জিরো অয়েল চিকেন”। ভাবছেন মাংস আবার তেল ছাড়া কী করে বানানো সম্ভব? চিন্তা কীসের? আমি তো আছি। রইলো বিস্তারিত প্রণালীর বর্ণনা একেবারে মায়ের হেঁসেল থেকে।

উপকরণ: চিকেন মাঝামাঝি টুকরো করা, টক দই, হলুদ গুঁড়ো, কাশ্মীরি মির্চ গুঁড়ো, নুন-চিনি স্বাদ মতো, কাঁচা লঙ্কা বাটা, ধনেপাতা বাটা, ক্যাপসিকাম বাটা, পেঁয়াজ বাটা, রসুন বাটা, টম্যাটো বাটা, আদা বাটা, জিরে গুঁড়ো, গরম মশলা গুঁড়ো।

আরো পোস্ট- এবারের দোল হোক নিরাপদ, বাড়িতে বানান ভেষজ আবির

প্রণালী: প্রথমেই মাংস ধুয়ে তার মধ্যে আদা বাটা, পেঁয়াজ বাটা, রসুন বাটা, লঙ্কা বাটা, ক্যাপসিকাম বাটা, টম্যাটো বাটা, ধনেপাতা বাটা, টক দই, হলুদ গুঁড়ো, লঙ্কা গুঁড়ো, জিরে গুঁড়ো দিয়ে ভালো করে মাখিয়ে ম্যারিনেট হতে দিন ১৫ মিনিট মতো। ত্বক দইটা পরিমাণে একটু বেশি দিতে হবে। এবার কড়াই গরম করে নিয়ে তাতে এই ম্যারিনেট করা চিকেন ঢেলে দিন। নাড়তে থাকুন। দেখবেন যেন লেগে না যায় মাংসটি।

মাংসটি ম্যারিনেট করা অবস্থায় রাখুন কিছুক্ষণ

একটু নাড়াচাড়ার পর চিনি ও নুন দিয়ে দিতে হবে এতে। এবার প্রয়োজন মতো জল দেবেন। আবার মাংস সেদ্ধ না হওয়া অবধি ঢাকা দিয়ে নেড়ে যান। খুব বেশি সময় লাগবে না এই রান্নায়। রান্না হয়ে গেলে উপরে গরম মশলা ছড়িয়ে নামিয়ে নিন। গরম পোলাওয়ের সঙ্গে বেশ জমে যাবে জিরো অয়েল চিকেনের ডিনার।

লাল-নীল-গেরুয়া…! ‘রঙ’ ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা ‘খাচ্ছে’? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম ‘সংবাদ’!

‘ব্রেকিং’ আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের।

কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে ‘রঙ’ লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে ‘ফেক’ তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই ‘ফ্রি’ নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.
হ্যাঁ, আমি অনুদান করতে ইচ্ছুক >

Back to top button