offbeat news

হোলি ২০২১: নিজের আনন্দ প্রকাশে অন্যকে কষ্ট দেবেন না

কলকাতা: আর দুইদিন পরেই মনের রঙে রাঙানোর পালা। সমস্ত প্ল্যানিং শেষের দিকে। পোশাক থেকে শুরু করে কয়টা রঙ আসবে বা কী কী রঙ থাকবে সব হিসেব শেষ। তার সঙ্গে পেটপুজোর প্ল্যানিংটাও করে ফেলেছেন নিশ্চয়ই? পরিবার ও আত্মীয়-পরিজনদের সঙ্গে মিলে আনন্দ করুন কিন্তু আপনার আনন্দ যেন অন্যের কষ্টের কারণ না হয় সেটাও দেখার দায়িত্ব আপনারই। কারণ না চাইতেও ঐদিন এমন অনেক কাজ আমরা করে ফেলি যেগুলো অনেকেরই না করলেও চলতো।

তবে সেটা করতে গিয়ে আমরা অন্যের আনন্দ যে মাটি করতে পারি সেই ধারণা আমাদের অনেকেরই নেই। ফলে আনন্দের খেলা দুঃখে পরিণত হতে পারে অনেকের জন্যে। কী সেই কাজগুলি? জানুন নিচে।

১. রাস্তার ধারের বাড়ির দেওয়ালগুলোতে যত ইচ্ছে রঙ দেবেন না। রং খেলুন নিজেদের মধ্যে। রাস্তার লোককে রঙ লাগাতে গিয়ে অনেকেই এমন জোরে ভুলভালভাবে রঙ ছোঁড়েন যে তা উড়ে গিয়ে পড়ে আশেপাশের বাড়ির দেওয়ালগুলির উপর। অনেক রঙ ধুলেও সহজে উঠতে চায় না। ফলে সেই দেওয়ালগুলিও দেখতে বাজে লাগে।

আরো পোস্ট- বেলাগাম সংক্রমণ, মহারাষ্ট্রে একদিনে করোনা আক্রান্ত প্রায় ৩২ হাজার

২. আপনি রং খেলতে ভালবাসেন ভালো কথা কিন্তু তাই বলে যাকে দেখবেন তাকেই ধরে রঙ লাগাবেন এটাও ঠিক নয়। অনেকের ত্বকে নানা সমস্যা হয় রঙের কেমিক্যালগুলি ত্বকে মিশলে। আবার অনেকেই ব্যক্তিগতভাবে রঙ মাখা পছন্দ করেন না।

পরিচিত হোক বা অপরিচিত, যে মানুষটি জোর করার পরেও রঙ খেলতে চান না, তাঁর ইচ্ছেকেও সম্মান জানানো এটা প্রাথমিক শিক্ষা। বদলে যারা খেলতে আগ্রহী তেমন কাউকে খুঁজুন।

৩. দোলের দিন অনেকেই মাদক দ্রব্য গ্রহণ করেন। এতে ভুলের কোনো কিছু নেই। কিন্তু আপনি মত্ত হলেও সেই আনন্দের রেশ অন্যের উপর যেন না পড়ে। নিজের উপর নিয়ন্ত্রণ রাখতে হবে আপনাকে। নেশায় উন্মত্ত হয়ে অন্যকে আঘাত করবেন না বা কটু কথা বলে দেবেন না।

আবার এমন কোনও কাজ করবেন না যাতে অন্য কাউকে অস্বস্তিকর পরিস্থিতির মধ্যে পড়তে হয়। দোলের দিন আপনার ভাল কাটুক, আনন্দের কাটুক। কেউ যদি বলেন, “হ্যাপি হোলি”…উত্তরে তাকেও প্রণাম করুন বা হোলির শুভেচ্ছা জানান। এই রং হোক আনন্দের, সকলের কাছেই।

লাল-নীল-গেরুয়া…! ‘রঙ’ ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা ‘খাচ্ছে’? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম ‘সংবাদ’!

‘ব্রেকিং’ আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের।

কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে ‘রঙ’ লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে ‘ফেক’ তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই ‘ফ্রি’ নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.
হ্যাঁ, আমি অনুদান করতে ইচ্ছুক >

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।

Back to top button