Recipe

২ মিনিটে রেডি হবে ম্যাগি, মিলছে অনেক সস্তায়

কুড়ি বছর আগের বাঙালি আর আজকের বাঙালির মধ্যে বিস্তর ফারাক আছে, তা আলাদা করে বলে দিতে হয় না। বিশেষ করে চপ প্রিয় বাঙালির আজ মন মজেছে পাস্তা, ম্যাগি-র মতো নুডলসে। বিশেষ করে বাড়ির বাচ্চা ও কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে দারুণ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে ম্যাগি নুডলস।

বাড়ির রান্নাঘরে মাত্র ২ মিনিটে তৈরি হওয়া এই খাবার থাকেই। কোনও ছোট্ট অতিথি বাড়িতে এলে তাঁকে চটজলদি এই খাবার বানিয়ে দিলেই খুশি সে। এছাড়া প্রতিদিন সকালে বাড়ির বাচ্চাদের হাতেও একবাটি ম্যাগি তুলে দিলে তাঁর আর কী চাই! স্কুলে টিফিনে ম্যাগি নুডলস করে দিলেই বিকেলে বাচ্চারা বাড়ি আনবে খালি টিফিন বক্স।

 

অন্যদিকে মায়েদেরও সুবিধা। কোনও ঝামেলা নেই। গরম জল করে তাতে ম্যাগি আর ছোট্ট মশলা দিয়ে দিলেই কাজ শেষ। ২ মিনিটে রেডি ম্যাগি নুডলস। এখন এই ম্যাগিই অ্যামাজনে মিলছে সস্তায়। তাই আর দেরি না করে চটজলদি অর্ডার করুন ম্যাগি।

আরও খবর পড়ূন – করোনার ভয়াল গ্রাস মহারাষ্ট্রে! নাগপুরের পর এবার আকোলাতে সম্পূর্ণ লকডাউন

ম্যাগি নুডলস আসলে নেসলে ব্যান্ডের একটি দ্রব্য। কোম্পানির দাবি, উন্নত গুণমানের নানান দ্রব্য ও পুষ্টিকর দ্রব্য দিয়ে তৈরি হয় এই ম্যাগি। দ্রব্যটি তৈরি হয় ভারতেই।

 

ম্যাগির গুণাগুণ – একদিকে যেমন ম্যাগি দ্রুত পেট ভরাতে সাহায্য করে। তেমনই এতে প্রচুর পুষ্টিগুণ থাকায় এটিতে শরীরের তেমন কোনও ক্ষতি হয় না। এটি সম্পূর্ণ নিরামিষ একটি খাবার। তবে অনেকেই এটিকে ডিম দিয়ে খেতে পছন্দ করেন।

১৯৮৮ সালে প্রথম ভারতের বাজারে আসে ম্যাগি। প্রথমে কোম্পানি ধারণা করতে পারেনি যে সেদিনের সেই প্রোডাক্ট আজ এত বিপুল জনপ্রিয়তা পাবে। বর্তমানে ম্যাগি ভাজা, ম্যাগির স্যুপ, ম্যাগি রোল থেকে শুরু করে নানান নিত্য নতুন আইটেম বাজারে আসছে, যা দেখে অবাক হয়ে যাচ্ছেন খোদ ম্যাগি নুডলস প্রস্তুতকারক সংস্থাও।

আরও খবর পড়ুন  – চোখ রাঙাচ্ছে করোনা, ২০২১ এর দৈনিক সংক্রমণের নিরিখে রেকর্ড মহারাষ্ট্রে

লাল-নীল-গেরুয়া…! ‘রঙ’ ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা ‘খাচ্ছে’? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম ‘সংবাদ’!

‘ব্রেকিং’ আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের।

কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে ‘রঙ’ লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে ‘ফেক’ তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই ‘ফ্রি’ নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.
হ্যাঁ, আমি অনুদান করতে ইচ্ছুক >

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।

Back to top button