Technology

‘‌গগনযান’‌ মিশনঃ লঞ্চের চূড়ান্ত দিনক্ষণ ঘোষণার পথে ISRO

বেঙ্গালুরুঃ চার বছর আগে ঘোষিত হওয়া ‘‌গগনযান’‌ মিশন লঞ্চের চূড়ান্ত দিনক্ষণ ঘোষণার পথে ইসরো। ভারতীয় মহাকাশযানে চেপে এ দেশের নভোশ্চরদের মহাকাশে পাড়ি দেওয়ার যাবতীয় পরিকল্পনা তৈরি করে ফেলেছে মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো (ISRO)। রাশিয়া (Russia, আমেরিকা (America) ও চিনের (China) পরেই চতুর্থ দেশ হিসেবে মহাকাশে গবেষণার উদ্দেশ্যে মহাকাশচারী (Astronaut) পাঠাতে চলেছে ভারত (India)। তবে করোনার মধ্যে নানান প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হয়ে অবশেষে লঞ্চের দিনক্ষণ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার পথে ইসরো। সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে বেঙ্গালুরুতে লকডাউন পর্ব মিটলেই তা নিয়ে আলোচনা-পর্যালোচনা শুরু হবে। এও জানা যাচ্ছে, পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী ডিসেম্বরেই হয়ত লঞ্চের চূড়ান্ত দিনক্ষণ স্থির করা হতে পারে।

২০১৮ সালের ১৫ অগস্ট ‘গগনযান’ প্রকল্পের (Gaganyaan Mission) ঘোষণা করেছিলেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (PM Modi)। তারপরই সেই অভিযানের খুঁটিনাটি তুলে ধরে ছিলেন ইসরোর (ISRO) চেয়ারম্যান কে সিভন (k Sivan)। তিনি বলেছিলেন “ঠিক চার বছর পর শ্রীহরিকোটার (Sriharikota) উৎক্ষেপণ কেন্দ্র থেকে মহাকাশযানটি (Spacecraft) ছাড়া হবে। তাতে থাকবেন মহাকাশচারীরা।” সেই মত ইতিমধ্যেই গগনায়ন প্রকল্পের আওতায় ভারতের নভোচারীদের (Astronaut) মহাকাশে যেতে হবে। এই সমস্ত নভোচারী রাশিয়ায় (Russia) তাদের এক বছরের প্রশিক্ষণ শেষ করেছেন। রাশিয়া থেকে ফিরে আসার পরে, তারা সবাই ভারতীয় স্পেস রিসার্চ অর্গানাইজেশন (ISRO) ডিজাইন করা প্রশিক্ষণ মডিউল থেকে প্রশিক্ষণ নেবে। প্রশিক্ষণ শেষে, এখন এই চার নভোচারী গগনযানের মাধ্যমে মহাকাশে (Space) প্রেরণ করা হবে।

‘গগনযান’ প্রোগ্রামটিকে (Mission Gaganyaan) মোট তিনটি ভাগে ভাগ করেছে ইসরো (ISRO)। খরচ ধরা হয়েছে মোট ১০ হাজার কোটি টাকা। প্রথম দুটি পর্বে একই ধাঁচের মহাকাশযান (Spacecraft) পাঠিয়ে সেটিকে পৃথিবীতে (Erath) ফিরিয়ে আনা হবে। তবে উভয় মহাকাশযানে কোনও মানুষ থাকবেন না। তারপর ৪০ মাসের মাথায় তৃতীয় মহাকাশযানে (Third Spacecraft) তিন জন নভশ্চরকে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছিল। এছাড়াও অনাবৃত মডিউল উৎক্ষেপণ ছাড়াও, ইসরো একটি ডেটা রিলে উপগ্রহও চালু করার পরিকল্পনা করছে যা গগনযান মিশনের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করতে সহায়তা করবে। এটির জন্য ৮০০ কোটি টাকা অনুমোদিত হয়েছে এবং স্যাটেলাইটটি চালু করার কাজ চলছে যা ইসরোর গ্রাউন্ড কন্ট্রোলকে মিশন জুড়ে গগনযানের সাথে যোগাযোগ স্থাপনে সহায়তা করবে।

লাল-নীল-গেরুয়া…! ‘রঙ’ ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা ‘খাচ্ছে’? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম ‘সংবাদ’!

‘ব্রেকিং’ আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের।

কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে ‘রঙ’ লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে ‘ফেক’ তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই ‘ফ্রি’ নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.
হ্যাঁ, আমি অনুদান করতে ইচ্ছুক >

Back to top button